ঢাকা, শুক্রবার, ২৮ ফেব্রুয়ারি ২০২০, ১৫ ফাল্গুন ১৪২৬


পেঁয়াজ নিয়ে সংকটে ভারত, বাংলাদেশকে কেনার প্রস্তাব

০৫:১৫পিএম, ১৫ জানুয়ারি ২০২০

বিজনেস আওয়ার প্রতিবেদক : ভারতে পেঁয়াজের সংকট কাটাতে তুরস্ক, মিশর ও আফগানিস্তান থেকে পেঁয়াজ আমদানি করে দেশটির সরকার। কিন্তু আমদানি করা এই পেঁয়াজ কিনতে রাজী নয় দেশটির রাজ্যগুলো। এতে বিপাকে পড়েছে ভারত সরকার। গুদাম ঘরে পচতে শুরু করেছে আমদানি করা পেঁয়াজ। এ অবস্থায় সেই পেঁয়াজ বাংলাদেশে বিক্রি করতে চায় ভারত।

সোমবার ভারতের কেন্দ্রীয় বাণিজ্য ও শিল্পমন্ত্রী ভারতে নিযুক্ত বাংলাদেশের ভারপ্রাপ্ত হাই কমিশনার রকিবুল হকের সঙ্গে বৈঠক করেছেন। বৈঠকে আমদানি করা সেই পেঁয়াজ বাংলাদেশকে কিনে নেয়ার প্রস্তাব দিয়েছেন ভারতের বাণিজ্যমন্ত্রী।

বৈঠকের সঙ্গে সংশ্লিষ্ট ভারতের জ্যেষ্ঠ এক সরকারি কর্মকর্তার বরাত দিয়ে দেশটির ইংরেজি দৈনিক দ্য প্রিন্ট এক প্রতিবেদনে এসব তথ্য জানিয়েছে।

নাম প্রকাশ না করার শর্তে ওই কর্মকর্তা বলেন, ভারত বিদেশ থেকে মোট ৩৬ হাজার মেট্রিক টন পেঁয়াজ আমদানির চুক্তি করেছে। ১২ জানুয়ারি পর্যন্ত দেশটিতে ১৮ হাজার মেট্রিক টন পেঁয়াজ পৌঁছেছে।

তিনি বলেন, বিভিন্ন প্রদেশের সরকার আমদানিকৃত পেঁয়াজের মাত্র ৩ হাজার মেট্রিক টন নিয়েছে। অবশিষ্ট পেঁয়াজ মুম্বাইয়ের জওহরলাল নেহরু বন্দরে খালাসের অপেক্ষায় রয়েছে।

চলতি মাসের শুরুর দিকে ভারতের ভোক্তা-কল্যাণ বিষয়ক মন্ত্রী রাম বিলাস পাসওয়ান জানান, মহারাষ্ট্র, আসাম, হরিয়ানা, কর্ণাটক ও উড়িষ্যা যথাক্রমে ১০০০০, ৩০০০, ৩৪৮০ ও ১০০ মেট্রিক টনের যে চাহিদা দিয়েছিলো তা প্রত্যাহার করে নিয়েছে।

গত বছরের নভেম্বর ও ডিসেম্বরে পেঁয়াজের দাম বৃদ্ধি পাওয়ায় রাজ্যগুলো পেঁয়াজ আমদানির জন্য কেন্দ্রীয় সরকারকে আহ্বান জানায়।

এদিকে পেঁয়াজগুলো এখনি না নিলে এগুলো পচে যাওয়ার শঙ্কা রয়েছে। আর পেঁয়াজ দ্রুত পচনশীল একটি পণ্য, যা প্রতি সপ্তাহে ৩৫ শতাংশ পর্যন্ত পচে যেতে পারে।

ওই বৈঠকে বাংলাদেশের ভারপ্রাপ্ত হাই কমিশনার রকিবুল হক বলেছেন, বাংলাদেশ ইতোমধ্যে চীন থেকে পেঁয়াজ আমদানি করেছে এবং নেপাল হয়ে আরও পেঁয়াজ দেশের বাজারে ঢোকার অপেক্ষায় আছে। সুতরাং বিনামূল্যে পরিবহনসহ ভারতের কিছু প্রণোদনা দেয়া উচিত।

বিজনেস আওয়ার/১৫ জানুয়ারি,২০২০/আরআই

এই বিভাগের অন্যান্য খবর

সিঙ্গাপুরে করোনায় আক্রান্ত এক বাংলাদেশি
করোনা ভাইরাসে মৃতের সংখ্যা বেড়ে ৯১০

উপরে