ঢাকা, সোমবার, ১৭ ফেব্রুয়ারি ২০২০, ৫ ফাল্গুন ১৪২৬


দুই কাউন্সিলর প্রার্থীকে গ্রেপ্তার, ওসিকে শোকজ

১২:৫১পিএম, ১৮ জানুয়ারি ২০২০

বিজনেস আওয়ার প্রতিবেদক : ঢাকা দক্ষিণ সিটি কর্পোরেশনের (ডিএসসিসি) ৩২ নম্বর ওয়ার্ডে বিএনপি সমর্থিত কাউন্সিলর পদপ্রার্থী মো. তাজউদ্দিন আহমেদ ও অপর কাউন্সিলর পদপ্রার্থী মো. আবদুস সালামকে গ্রেপ্তারের বিষয়ে বংশাল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. শাহীন ফকিরকে কারণ দর্শানোর নোটিশ (শোকজ) দিয়েছে নির্বাচন কমিশন (ইসি)। শনিবার (১৮ জানুয়ারি) ঢাকা দক্ষিণ সিটির রিটার্নিং কর্মকর্তার কার্যালয় ও ইসি সূত্রে এ তথ্য জানা গেছে।

ইসি সূত্র জানায়, গত ২ জানুয়ারি বিকেলে রাজধানীর টিকাটুলী মোড় থেকে কাউন্সিলর পদপ্রার্থী ও বংশাল থানা বিএনপির সভাপতি তাজউদ্দিন আহমেদকে গ্রেপ্তার করে বংশাল থানা পুলিশ। তিনি বিএনপির বংশাল থানার সভাপতি। তাঁকে গ্রেপ্তারের পর রিটার্নিং কর্মকর্তার কার্যালয়ে অভিযোগ করেন দক্ষিণ সিটি কর্পোরেশনের মেয়র পদপ্রার্থী ইশরাক হোসেন। এরপর ওসি শাহীন ফকিরকে শোকজ করা হয়।

এছাড়া ঢাকা দক্ষিণের ৩২ নম্বর ওয়ার্ডের কাউন্সিলর পদপ্রার্থী মো. আবদুস সালামকে মনোনয়নপত্র যাচাই-বাছাই শেষে রিটার্নিং অফিসারের কার্যালয় থেকে বের হওয়ার পরই গ্রেপ্তার করা হয়। পরে ইশরাক অভিযোগ করেছিলেন রিটার্নিং অফিসারের কার্যালয়ে। তাঁর পরিপ্রেক্ষিতে বংশাল থানার ওসিকে পুনরায় শোকজ করা হয়।

বিষয়টি নিশ্চিত করে ঢাকা দক্ষিণ সিটির সহকারী রিটার্নিং কর্মকর্তা শফিকুল ইসলাম বলেন, অভিযোগের ভিত্তিতে ওসিকে শোকজ করা হয়। এ ছাড়া মোট ৩৩ জনকে শোকজসহ আচরণবিধি মানতে নানা ধরনের নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে। তাদের অনেকেই শোকজের জবাব দিয়েছেন।

এ ব্যাপারে বংশাল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) শাহীন ফকির বলেন, রিটার্নিং কর্মকর্তার দপ্তর থেকে চিঠি দিয়েছিল। আমি তার জবাবও দিয়েছি। মো. সালামকে র‍্যাব-৩ গ্রেপ্তার করে। পরে আমাদের কাছে হস্তান্তর করে। আর তাজউদ্দিন আহমেদকে আমাদের থানা পুলিশ গ্রেপ্তার করে।

এই বিষয়ে দক্ষিণ সিটির রিটার্নিং কর্মকর্তা আবদুল বাতেন বলেন, যাদের শোকজ করা হয়েছে তাদের ভেতরে অনেকেই শোকজের জবাব দিয়েছেন। সময় না হওয়ায় কেউ কেউ এখনো জবাব দেননি। তবে সবাই দিয়ে দেবে। অনিয়ম করলে কাউকে ছাড় নয়।

বিজনেস আওয়ার/১৮ জানুয়ারি, ২০১৯/এ

এই বিভাগের অন্যান্য খবর

উপরে