করোনাভাইরাস লাইভ আপডেট
বাংলাদেশ
আক্রান্ত
সুস্থ
মৃত্যু
২১৮
৩৩
২০
সূত্র:আইইডিসিআর
বিশ্বজুড়ে
দেশ
আক্রান্ত
মৃত্যু
২১১
১৪,২৯,৪৩৭
৮২,০৭৩
সূত্র: জনস হপকিন্স ইউনিভার্সিটি ও অন্যান্য।

ঢাকা, বুধবার, ৮ এপ্রিল ২০২০, ২৫ চৈত্র ১৪২৬


মসলার বাজারও বেজায় গরম!

০৫:০৩পিএম, ০৭ ফেব্রুয়ারি ২০২০

বিজনেস আওয়ার প্রতিবেদক : সাধারণত উৎসব আয়োজনকে ঘিরে দাম বাড়ে মসলার। তবে এবার আমদানি সরবরাহ ঘাটতিসহ নানা কারণে মসলা পণ্যের দাম বেড়েছে বলে দাবি করছেন ব্যবসায়ীরা। সবচেয়ে বেশি ব্যবহৃত মসলার মধ্যে রসুন, আদা, মরিচ ও হলুদের দাম একসঙ্গে বেড়েছে।

তবে বাজারের সব রেকর্ড ভেঙে বেশ কিছুদিন ধরে সর্বোচ্চ দামে বিক্রি হচ্ছে এলাচ। এ ছাড়া চালসহ কিছু নিত্যপণ্য কিনতে চড়া দাম গুনতে হচ্ছে ক্রেতাদের। বাজারে একসঙ্গে এত বেশি নিত্যপণ্যের দাম বেড়ে যাওয়ায় বাড়তি ব্যয়ের চাপে পড়েছেন সাধারণ মানুষ।

এখন দেশি মরিচের মৌসুম শেষ পর্যায়ে। এ কারণে দেশি শুকনা মরিচের সরবরাহ কমেছে। এ সুযোগে আমদানি করা ভারতীয় শুকনা মরিচের দাম হুহু করে বাড়ছে। গত ডিসেম্বরে শুকনা মরিচ ছিল ২০০ থেকে ২৫০ টাকা কেজি। এর পরে ধারাবাহিকভাবে বেড়ে এখন ৩৫০ থেকে ৪২০ টাকা প্রতি কেজি।

সপ্তাহের ব্যবধানে হলুদের দামও কেজিতে ২০ টাকা বেড়ে ২৭০ টাকায় উঠেছে। খুচরা বাজারে রসুনের কেজির দাম বেড়েছে ৬০ থেকে ৮০ টাকা। গতকাল প্রতি কেজি দেশি পুরোনো রসুন ২২০ টাকায় বিক্রি হয়। যা আগের সপ্তাহে ১৬০ থেকে ১৭০ টাকা ছিল।

দেশি নতুন রসুন বাজারে আসার পরে আগের সপ্তাহে প্রতি কেজি ৮০ থেকে ৯০ টাকা ছিল। এখন তা দ্বিগুণ বেড়ে ১৬০ থেকে ১৮০ টাকা কেজি দরে বিক্রি হচ্ছে। আমদানি করা চীনা রসুনও একই হারে দাম বেড়ে এখন ২০০ টাকা কেজি।

বাজারে বেড়েছে আদার দামও। কেজিতে ৪০ থেকে ৬০ টাকা বেড়ে মানভেদে চীনা আদা ১৮০ থেকে ২২০ টাকায় উঠেছে। প্রায় একই হারে বেড়ে দেশি আদা ১৬০ থেকে ১৮০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে।

রাজধানীর মোহাম্মদপুর কৃষি মার্কেটের পাইকারি আড়তে এ দামে বিক্রি হতে দেখা গেছে। অন্য পাইকারি বাজারেও প্রায় একই দামে বিক্রি হচ্ছে বলে জানান ব্যবসায়ীরা।

পুরান ঢাকার শ্যামবাজার কৃষিপণ্য বণিক সমিতির সহসভাপতি ও আমদানিকারক মো. মাজেদ বলেন, চীন থেকে পেঁয়াজ, রসুন ও আদা আনতে নতুন করে ঋণপত্র খোলা যাচ্ছে না। আগে আমদানি করা এ মসলার সরবরাহ প্রায় শেষ পর্যায়ে। এ কারণে বাজারে রসুন ও আদার দাম বাড়ছে।

গরমমসলার বাজার গরম করেছে মসলার রানি এলাচ। দফায় দফায় বেড়ে দুই মাসের ব্যবধানে দ্বিগুণ দামে বিক্রি হচ্ছে। আর বছরের ব্যবধানে চার গুণ বেশি দাম। এখন ভালো মানের এক কেজি এলাচ কিনতে ছয় হাজার টাকা গুনতে হয়।

আর বাজারে সাধারণ এলাচ সাড়ে চার হাজার থেকে পাঁচ হাজার টাকায় বিক্রি হচ্ছে। খুচরায় অনেক দোকানদার ১০ থেকে ২০ টাকায় এলাচ বিক্রি করতে চান না। এতে বেশি বিড়ম্বনায় পড়েছেন নিম্ন আয়ের মানুষ।

কারওয়ান বাজারের ব্যবসায়ী মাইনুল ইসলাম বলেন, দেশি নতুন রসুনের পর্যাপ্ত সরবরাহ হয়নি। দেশি রসুনের সরবরাহ বাড়ালে দাম কমে আসবে। তবে আদার আমদানি না বাড়ানো গেলে দাম কমানো সম্ভব হবে না। রমজান ঘনিয়ে আসছে। এর আগেই বাজারে সরবরাহ বাড়াতে প্রস্তুতি নেওয়া প্রয়োজন। না হলে দাম আরও বাড়তে পারে।

বিজনেস আওয়ার/০৭ ফেব্রুয়ারি, ২০২০/এ

এই বিভাগের অন্যান্য খবর

উপরে