করোনাভাইরাস লাইভ আপডেট
বাংলাদেশ
আক্রান্ত
সুস্থ
মৃত্যু
২১৮
৩৩
২০
সূত্র:আইইডিসিআর
বিশ্বজুড়ে
দেশ
আক্রান্ত
মৃত্যু
২১১
১৪,২৯,৪৩৭
৮২,০৭৩
সূত্র: জনস হপকিন্স ইউনিভার্সিটি ও অন্যান্য।

ঢাকা, বৃহস্পতিবার, ৯ এপ্রিল ২০২০, ২৫ চৈত্র ১৪২৬


বিএসইসির অনলাইন অভিযোগ মডিউলের গ্রহণযোগ্যতা বাড়ছে

১১:৫০এএম, ২৭ ফেব্রুয়ারি ২০২০

বিজনেস আওয়ার প্রতিবেদক : বাংলাদেশ সিকিউরিটিজ অ্যান্ড এক্সচেঞ্জ কমিশনের (বিএসইসি) তৈরী করা ‘কাস্টমার কমপ্লেইন্ট অ্যাড্রেস মডিউল’এর মাধ্যমে দ্রুত সমাধান হচ্ছে বিনিয়োগকারীদের অভিযোগ। ফলে এখন আর বছরের পর বছর অভিযোগ নিষ্পত্তির জন্য অপেক্ষা করতে হয় না। এছাড়া এই অনলাইন মডিউলের কারনে অভিযোগকারীর হয়রানি এবং ব্যয় কমে এসেছে। এরফলে অভিযোগ করার এই অনলাইন মডিউলটির দিন দিন গ্রহণযোগ্যতা বাড়ছে।

অনলাইন মডিউল চালু হওয়ার আগে শেয়ারবাজার সংশ্লিষ্ট বিষয়াদি নিয়ে লিখিতভাবে অভিযোগ করতে হতো বিনিয়োগকারীদেরকে। আর অভিযোগের সেই কাগজ এক দপ্তর থেকে আরেক দপ্তরে যেতেই অনেক সময় লেগে যেত। তবে এখন আর সেই ভোগান্তি নেই। ফলে মডিউলটি চালুর হওয়ার পরে একটি অনলাইনের অভিযোগ গড়ে সাড়ে ১৪ দিনেই সমাধান হয়ে যাচ্ছে। এছাড়া সমাধানের হারও অনেক বেশি।

বিএসইসির চেয়ারম্যান গতকাল (২৬ ফেব্রুয়ারি) আয়োজিত এক সেমিনারে বলেন, আমাদের অন্যতম প্রধান উদ্দেশ্য হলো প্রটেকশন অব ইন্টারেস্ট অব ইনভেস্টর। কিন্তু তারা অভিযোগ নিয়ে অসহায় হয়ে বিভিন্ন জায়গায় ঘুরত। তবে তারা কমপ্লেইন্ট মডিউলের মাধ্যমে সেগুলো অ্যাড্রেস করার উপায় পেয়েছে। আমরা আজকে পরিসংখ্যানের মাধ্যমে দেখলাম যে, ৯৫ শতাংশ সমস্যা সমাধান করা হয়েছে। কাজেই এই মডিউলটা সৃষ্টির মাধ্যমে সকল স্টেকহোল্ডারদের জন্য একটি জবাবদিহিতার জায়গা তৈরি করা হয়েছে।

ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জের (ডিএসই) পরিচালক মিনহাজ মান্নান ইমন বিজনেস আওয়ারকে বলেন, বিএসইসির অনলাইনে অভিযোগ দাখিলের মডিউলটি খুবই ইতিবাচক। এই মডিউলের মাধ্যমে একজন পৃথিবীর যেকোন প্রান্ত থেকেই অভিযোগ করতে পারছেন। তাকে স্বশরীরে বিএসইসিতে আসতে হয় না। এতে তার সময় ও ব্যয় বেচে যাচ্ছে। এছাড়া অভিযোগগুলোও আগের তুলনায় দ্রুত সমাধান হচ্ছে। যা শেয়ারবাজারের জন্য ইতিবাচক উদ্যোগ।

বিএসইসির পরিসংখ্যান অনুযায়ি, গত বছরের ৩০ সেপ্টেম্বর অনলাইন মডিউলটি চালু হওয়ার পরে মোট ২০৬টি অভিযোগ দাখিল করেছে বিনিয়োগকারীরা। এরমধ্যে ১৯৫টি বা ৯৫ শতাংশ সমাধান করা হয়ে গেছে। যেগুলো সমাধানে গড়ে সাড়ে ১৪দিন সময় লগেছে। বাকি ১১টি সমাধানের প্রক্রিয়ায় রয়েছে।

মডিউলটি চালু হওয়ার পরে সমচেয়ে বেশি অভিযোগ আসে অক্টোবর মাসে। ওই মাসে ৮২টি অভিযোগ পায় কমিশন। এছাড়া নভেম্বর মাসে ৫৬টি, ডিসেম্বর মাসে ২৭টি, ফেব্রুয়ারি মাসে ২১টি, জানুয়ারি মাসে ১৯টি ও সেপ্টেম্বর মাসে ১টি অভিযোগ পায় কমিশন। ওইসব অভিযোগের মধ্যে জানুয়ারি মাসের ১টি এবং ফেব্রুয়ারি মাসের ১০টি সমাধানের প্রক্রিয়ায় রয়েছে। অর্থাৎ আগের ৪ মাসের সব অভিযোগ নিষ্পত্তি করা হয়েছে।

বিএসইসির নির্বাহি পরিচালক ফরহাদ আহমেদ গতকাল আয়োজিত এক সেমিনারে বলেন, মডিউলটি চালু করার ক্ষেত্রে ডিএসই এবং সিডিবিএল সহযোগিতা করেছে। অধিকাংশ কাজই করেছে ডিএসই। এছাড়া মডিউলটি বিনিয়োগকারীদের কাছে পৌছানোর মতো গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্বপালন করেছে গণমাধ্যম। তাই তিনি এই ৩টি গ্রুপকে সম্মানিত করার জন্য কমিশনের প্রতি আহ্বান করেন।

ফরহাদ আহমেদের আহ্বানের পরিপ্রেক্ষিতে বিএসইসি চেয়ারম্যান বলেন, ফরহাদ আহমেদ যে ৩টি গ্রুপকে সম্মানিত করতে বলেছেন, সেই ৩টি গ্রুপসহ তার নেতৃত্বে এই মডিউলটি তৈরীর কাজে অংশগ্রহণ করা সদস্যদেরকেও সম্মানিত করা হবে।

বিজনেস আওয়ার/২৭ ফেব্রুয়ারি, ২০২০/আরএ

এই বিভাগের অন্যান্য খবর

মঙ্গলবার শেয়ারবাজারে ১৬ ব্যাংকের বিনিয়োগ
শেয়ারবাজারে ধীরে ধীরে ব্যাংকের বিনিয়োগ বাড়ছে

উপরে