করোনাভাইরাস লাইভ আপডেট
বাংলাদেশ
আক্রান্ত
সুস্থ
মৃত্যু
২১৮
৩৩
২০
সূত্র:আইইডিসিআর
বিশ্বজুড়ে
দেশ
আক্রান্ত
মৃত্যু
২১১
১৪,২৯,৪৩৭
৮২,০৭৩
সূত্র: জনস হপকিন্স ইউনিভার্সিটি ও অন্যান্য।

ঢাকা, বৃহস্পতিবার, ৯ এপ্রিল ২০২০, ২৫ চৈত্র ১৪২৬


টাইগার একাদশে তিন পেসারের সঙ্গে দুই স্পিনার

০১:৪২পিএম, ২৭ ফেব্রুয়ারি ২০২০

স্পোর্টস ডেস্ক : সাধারণত ঘরের মাঠে টেস্টে স্পিন সহায়ক পিচেই খেলে থাকে বাংলাদেশ দল। কিন্তু সিলেটে হবে স্পোর্টিং উইকেট, তাই একাদশে থাকবে তিন পেসারের সঙ্গে দুই স্পিনার!

কিন্তু সাফল্যের আনুপাতিক হিসেবে স্পিনিং উইকেটই গত কয়েকবছরে বাংলাদেশ দলের সবচেয়ে বড় বন্ধু। যার সাহায্যে নিজেদের স্পিন শক্তি কাজে লাগিয়ে নাস্তানাবুদ করা গেছে ইংল্যান্ড, অস্ট্রেলিয়ার মতো বিশ্বশক্তি এবং ওয়েস্ট ইন্ডিজের মতো সমীহ জাগানো দলকে।

আর এবার সে ধারা থেকে খানিক বেরিয়ে এসে জিম্বাবুয়ের বিপক্ষে মোটামুটি স্পোর্টিং পিচই বানিয়েছিল বাংলাদেশ। এবার আর প্রথম দিন থেকেই উইকেটে 'ইয়া' বড় বড় টার্ন ছিলো না, বল হঠাৎ লাফিয়েও ওঠেনি তেমন, বিপজ্জনকভাবে নিচুও হয়নি।

বরং বোলার-ব্যাটসম্যানদের জন্য ছিলো সমান সুযোগ। বলের গতিপ্রকৃতি বুঝে খেলতে পারলে লম্বা সময় উইকেটে থাকার পাশাপাশি বড় ইনিংস খেলা মোটেও কঠিন ছিলো না। যার প্রমাণ মুশফিকুর রহীম (২০৩*) ও মুমিনুল হকের (১৩২) দুই সেঞ্চুরির ইনিংস।

পরে উইকেটের চরিত্র বুঝে বোলিং করেছেন আবু জায়েদ রাহী, নাঈমরা। মিলেছে ইনিংস ও ১০৬ রানের বড় জয়। মোদ্দা কথা, স্পিন সহায় পিচ বাদ দিয়ে স্পোর্টিং উইকেটে জিম্বাবুয়ে বধ মিশন হয়েছে সফল। তাই ওয়ানডে সিরিজেও অমন উইকেটের কথাই ভাবছে বাংলাদেশ।

প্রধান নির্বাচক মিনহাজুল আবেদিন নান্নু বলেন, যদিও দুই ফরম্যাটের গতিপ্রকৃতি পুরোপুরি ভিন্ন। টেস্টে যেহেতু স্পোর্টিং উইকেটে সাফল্য এসেছে, তাই ওয়ানডেতেও অমন উইকেটই চাইবো। সিলেটের পিচ এমনিতেই ব্যাটিং ফ্রেন্ডলি হয়। আমরা চাই, ফ্ল্যাট ট্র্যাক, যেখানে রান উঠবে।

প্রধান নির্বাচকের কথা মতো যদি উইকেট স্পোর্টিংই হয়, তাহলে একাদশে স্পিনারের পাশাপাশি পেসাররাও পাবেন বাড়তি গুরুত্ব। জানা গেছে, অধিনায়ক মাশরাফি বিন মর্তুজার সঙ্গে সাইফউদ্দিন তো থাকবেনই। সঙ্গে তৃতীয় পেসার হিসেবেও কাউকে দেখা যাবে।

এদিকে তিন পেসার সঙ্গে এক স্পেশালিস্ট স্পিনার এবং মাহমুদউল্লাহ রিয়াদ, আফিফ হোসেনকে দিয়ে কাজ চালানোর কথা ভাবা হচ্ছে। আসলে তা নয়। ভেতরের খবর, ব্যাটিংটা সাজানো-গোছানো রেখে তিন পেসারের সাথে দুই স্পিনার খেলানোর চিন্তাই চলছে।

ভারী বৃষ্টি বা ঘন কুয়াশা এবং শিশির না পড়লে, একাদশে দুই স্পিনার তাইজুল ইসলাম ও মেহেদি হাসান মিরাজের খেলার সম্ভাবনা খুব বেশি। ওদিকে ব্যাটিংয়ে যেহেতু সৌম্য সরকার নেই, তাই তামিমের সঙ্গে নাঈম শেখকেই জুটি বাঁধতে দেখা যেতে পারে।

সৌম্যর অনুপস্থিতিতে প্রথম পাওয়ার প্লে'তে হাত খুলে খেলার সামর্থ্যটা আছে এ তরুণ বাঁহাতির। তাই হয়তো নির্বাচকরা টি-টোয়েন্টির পাশাপাশি ওয়ানডেতেও প্রথমবারের মতো দলে ডেকে নিয়েছেন নাঈম শেখকে। তার কাছ থেকে দলের প্রত্যাশাটাও থাকবে সেটাই।

সেক্ষেত্রে লিটন দাস হবেন ওয়ান ডাউন। তারপর যথাক্রমে মুশদিক, মাহমুদউল্লাহ, আফিফ। পর্যায়ক্রমে মিরাজ, সাইফউদ্দিন, মাশরাফিরা আসবেন ব্যাটিংয়ে।

তবে থার্ড পেসার হিসেবে কে খেলবেন? তা নিয়ে আছে সংশয়। যতদূর জানা গেছে, শফিউল, মোস্তাফিজ ও আলআমিনের মধ্য থেকে একজনকে বেছে নেয়া হবে। আর এ দৌড়ে অন্য দুজনের চেয়ে খানিক এগিয়েই রয়েছেন শফিউল ইসলাম।

বাংলাদেশের সম্ভাব্য একাদশ:
তামিম ইকবাল, মোহাম্মদ নাঈম শেখ, লিটন দাস, মুশফিকুর রহীম, মাহমুদউল্লাহ রিয়াদ, আফিফ হোসেন ধ্রুব, মোহাম্মদ সাইফউদ্দিন, মেহেদি হাসান মিরাজ, মাশরাফি বিন মর্তুজা (অধিনায়ক), তাইজুল ইসলাম ও শফিউল ইসলাম/মোস্তাফিজুর রহমান/আলআমিন হোসেন।

বিজনেস আওয়ার/২৭ ফেব্রুয়ারি, ২০২০/এ

এই বিভাগের অন্যান্য খবর

উপরে