করোনাভাইরাস লাইভ আপডেট
বাংলাদেশ
আক্রান্ত
সুস্থ
মৃত্যু
১৬৪
৩৩
১৭
সূত্র:আইইডিসিআর
বিশ্বজুড়ে
দেশ
আক্রান্ত
মৃত্যু
২১১
১৪,২৯,৪৩৭
৮২,০৭৩
সূত্র: জনস হপকিন্স ইউনিভার্সিটি ও অন্যান্য।

ঢাকা, বুধবার, ৮ এপ্রিল ২০২০, ২৫ চৈত্র ১৪২৬


এবছর ডেঙ্গুর প্রকোপ আগের চেয়ে বাড়ার আশঙ্কা

১০:০৭এএম, ২৮ ফেব্রুয়ারি ২০২০

বিজনেস আওয়ার প্রতিবেদকঃ শীত বিদায়ের সঙ্গে সঙ্গে রাজধানীতে গত বছরের তুলনায় বেড়েছে মশার ঘনত্ব। যথাযথ ব্যবস্থা গ্রহণ না করলে ডেঙ্গু চিকনগুনিয়ার প্রকোপ বাড়বে বলে আশঙ্কা করছেন বিশেষজ্ঞরা।

বৃহস্পতিবার (২৭ ফেব্রুয়ারি) রাজধানীর-বিভিন্ন এলাকায় বসবাসরত মানুষের সঙ্গে কথা বলে বাড়তি মশার উপদ্রবের তথ্য পাওয়া যায়।

মশক নিধনে ঢাকার দুই সিটি করপোরেশনের ভূমিকা ও সদিচ্ছা নিয়ে প্রশ্ন তুলছেন রাজধানীবাসী। তারা বলছেন, মশা নিধনে মাঝে মধ্যে ওষুধ ছিটানো ছাড়া সিটি করপোরেশনের কোনো কার্যক্রম তারা দেখছেন না।

কীটতত্ত্ববিদরা জানিয়েছেন, গত বছরের মতো এবারও রাজধানীতে মশার উৎপাত থাকবে। বিশেষ করে, ডেঙ্গু মশা নিধনে ধারাবাহিকভাবে কাজ না করলে এটি নির্মূল করা সম্ভব হবে না।

দুই সিটি করপোরেশনের সূত্রগুলো জানিয়েছে, ডেঙ্গু মশা প্রতিরোধে সচেতনতামূলক সভা করছেন তারা।

দক্ষিণ সিটি কর্পোরেশনের স্থানীয় চা দোকানদার আব্বাস বলেন, ‘এখানে অনেক মশার উৎপাত। দিনের বেলা কোনরকম থাকা গেলেও বিকেলের পর থেকে মশার উৎপাতে বসে থাকাই মুশকিল হয়ে যায়। সিটি কর্পোরেশন থেকে মাঝে মধ্যে যে ওষুধ ছিটানো হয় তাতে মশা মরে না।’

ধানমন্ডি, ফার্মগেট, কারওয়ান বাজার, শাহবাগসহ পুরান ঢাকার বসবাসকারী একাধিক বাসিন্দা, ব্যবসায়ী এবং পথচারী সন্ধ্যা নামতেই মশার উৎপাত বেড়ে যায় বলে জানান।

জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয় প্রাণীবিজ্ঞান বিভাগের অধ্যাপক কবিরুল বাসার মশা বিষয়ে দীর্ঘদিন থেকে গবেষণা করছেন। তিনি বলেন, ‘ঢাকাকে আমরা মোট ছয়টা ভাগে ভাগ করে মশার ওপর গবেষণা কার্যক্রম পরিচালনা করছি। আমরা জানুয়ারি মাসের এক তারিখ থেকে এ পর্যন্ত গবেষণায় ঢাকায় কিউলেক্স মশা এবং এডিস মশা দুটোই পেয়েছি। ঢাকায় এডিস মশার যে ঘনত্বের মাত্রা পেয়েছি, তা গত বছরের এই সময়ের তুলনায় বেশি।’

তিনি আরো বলেন, ‘স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের ডেঙ্গু রোগীর যে হিসাব পাওয়া যাচ্ছে, সে হিসাবেও দেখা যাচ্ছে, গতবছর জানুয়ারি-ফেব্রুয়ারিতে যে পরিমাণ ডেঙ্গু রোগী ছিল, গত বছরের তুলনায় এবছরের জানুয়ারি-ফেব্রুয়ারিতে ডেঙ্গু রোগীর সংখ্যা বেশি। যেহেতু গত বছরের তুলনায় এ বছর জানুয়ারি-ফেব্রুয়ারিতে মশার ঘনত্ব এবং ডেঙ্গু রোগীর সংখ্যা বেশি, তাই একজন গবেষক হিসেবে আমি ধারণা করছি, এ বছর যদি দ্রুত কার্যকরী ব্যবস্থা গ্রহণ করা না হয়, তাহলে ডেঙ্গু রোগীর সংখ্যা বাড়বে।’

বিজনেস আওয়ার/ ২৮ ফেব্রুয়ারি/আরআই

এই বিভাগের অন্যান্য খবর

৭৩ হাজার কোটি টাকার প্রণোদনা প্যাকেজ
করোনা: প্রধানমন্ত্রীর কর্মপরিকল্পনা ঘোষণা

উপরে