ঢাকা, সোমবার, ৩০ মার্চ ২০২০, ১৬ চৈত্র ১৪২৬


বিদ্যুতের মূল্য বৃদ্ধি, খরচ বাড়বে সব খাতে

১০:৩০এএম, ২৮ ফেব্রুয়ারি ২০২০

বিজনেস আওয়ার প্রতিবেদকঃ ভোক্তা অধিকার ও ব্যবসায়ী সংগঠনগুলোর যুক্তি-অনুরোধ গ্রহণ করা হলোনা। মানা হলো না বিভিন্ন রাজনৈতিক দলের দাবিও। করোনা ভাইরাসের প্রাদুর্ভাবে বাণিজ্য মন্দা এবং বিশ্ববাজারে জ্বালানি তেলের দর পতনের মধ্যেই দেশে সব পর্যায়ে বিদ্যুতের পাইকারি ও খুচরা মূল্য বাড়লো। এর ফলে গ্রাহকদের পকেট থেকে বছরে প্রায় দুই হাজার কোটি টাকা বাড়তি বেরিয়ে যাবে।

বৃহস্পতিবার বিদ্যুতের নতুন মূল্যহার ঘোষণা করে এ খাতের নিয়ন্ত্রক সংস্থা বাংলাদেশ এনার্জি রেগুলেটরি কমিশন (বিইআরসি)। পাইকারি পর্যায়ে প্রতি ইউনিট (কিলোওয়াট) বিদ্যুতের পাইকারি দাম গড়ে ৪০ পয়সা এবং খুচরা ৩৬ পয়সা বাড়ানোর আদেশ দেওয়া হয়েছে। আগামী ১ মার্চ থেকে এ মূল্যহার কার্যকর হবে। অর্থাৎ প্রিপেইড গ্রাহকরা ওই দিন থেকেই এবং পোস্টপেইড গ্রাহকরা এপ্রিল থেকে বর্ধিম দামে বিদ্যুৎ বিল পরিশোধ করবেন।

অর্থনীতিবিদ এবং খাত সংশ্লিষ্টরা বলছেন, দামবৃদ্ধির ফলে নিম্ন ও মধ্য আয়ের মানুষ চাপে পড়বে। উৎপাদন খরচ বেড়ে যাওয়ায় বড়ো চ্যালেঞ্জে পড়বে শিল্প-কারখানা। ব্যবসায়ীরা বলছেন, মানসম্পন্ন বিদ্যুৎ না দিয়ে দাম বাড়ানো যৌক্তিক নয়। বর্ধিত বিদ্যুৎ বিলের ভার বহনের সক্ষমতা শিল্পের নেই। ভোক্তা অধিকার আন্দোলনের সংগঠকরা জানান, সিস্টেম লস, ভুল নীতি-পরিকল্পনা এবং দুর্নীতি প্রতিরোধে জোর না দিয়ে দামবৃদ্ধির প্রতি মনোযোগ সরকার ও নিয়ন্ত্রক সংস্থার। এক শ্রেণির কর্মকর্তা-ব্যবসায়ীদের সুযোগ করে দিতে জনগণের উপর বাড়তি খরচের বোঝা চাপিয়ে দেওয়া হচ্ছে।

তবে বিইআরসি বলছে, দেশের বাজার পরিস্থিতি এবং গ্রাহকদের সক্ষমতা বিবেচনায় নিয়ে দাম বাড়ানো হয়েছে। নিম্ন আয়ের মানুষের উপর যেন চাপ না পরে সেদিকেও নজর দেওয়া হয়েছে। একইসঙ্গে শিল্পের ক্ষেত্রেও ক্ষুদ্র এবং মাঝারি শিল্প উদ্যোক্তাদের ব্যয় যাতে খুব বেশি না বৃদ্ধি পায় সে দিকেও দৃষ্টি দেওয়া হয়েছে।

বিজনেস আওয়ার/ ২৮ ফেব্রুয়ারি/আরআই

এই বিভাগের অন্যান্য খবর

উপরে