ঢাকা, রবিবার, ২৯ মার্চ ২০২০, ১৫ চৈত্র ১৪২৬


গণফোরামের নতুন কমিটিতে জায়গা হবেনা বিতর্কিতদের

০২:০৮পিএম, ১২ মার্চ ২০২০

বিজনেস আওয়ার প্রতিবেদক : বিতর্কিতদের বাদ দিয়ে গণফোরামের ১৫০ সদস্য বিশিষ্ট আহ্বায়ক কমিটি গঠন করা হচ্ছে। যারা ড. কামাল হোসেনকে না জানিয়ে গণফোরামের ব্যানারে ঐতিহাসিক ৭ মার্চের আলোচনা সভা করেছে তাদেরকে 'বিতর্কিত' হিসেবে চিহ্নিত করা হয়েছে। বৃহস্পতিবার (১২ মার্চ) অথবা আগামীকাল শুক্রবার আহ্বায়ক কমিটি ঘোষণা করা হতে পারে।

প্রসঙ্গত, বহিষ্কার-পাল্টা বহিষ্কারের মধ্যে দিয়ে গত ৪ মার্চ দলের কেন্দ্রীয় কমিটি ভেঙে দেন দলটির প্রতিষ্ঠাতা সভাপতি ড. কামাল হোসেন। একইসঙ্গে নিজেকে সভাপতি ও রেজা কিবরিয়াকে সাধারণ সম্পাদক করে দুই সদস্য বিশিষ্ট আহ্বায়ক কমিটি ঘোষণা করেন তিনি।

নতুন কমিটির বিষয়ে রেজা কিবরিয়া বলেন, আগামী ২/১ দিনের মধ্যে ১৫০ সদস্য বিশিষ্ট আহ্বায়ক কমিটি ঘোষণা করবো। যারা ৭ মার্চ স্যারকে না জানিয়ে আলোচনা সভা করেছে। তারা তাদের আসল চেহারা দেখিয়ে দিয়েছে। এতে করে আমাদের জন্য ভালো হয়েছে। তাদের কিভাবে কমিটিতে রাখবো? তারা চলে যাওয়ায় দলের অনেক পুরনো লোক ফিরে আসছেন।

৭ মার্চের আলোচনা সভায় প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন গণফোরামের সাবেক সাধারণ সম্পাদক ও ভেঙে দেওয়া কমিটির এক নম্বর সদস্য মোস্তফা মহসিন মন্টু, সভাপতি ছিলেন ভেঙে দেওয়া কমিটির নির্বাহী সভাপতি অধ্যাপক আবু সাইয়িদ ও প্রধান বক্তা ছিলেন অ্যাডভোকেট সুব্রত চৌধুরী।

এছাড়া সভায় আরও উপস্থিত ছিলেন ভেঙে দেওয়া কমিটির প্রেসিডিয়াম সদস্য জগলুল আফ্রিক, সাংগঠনিক সম্পাদক লতিফুল বারি হামিম, স্থায়ী কমিটির সদস্য আসাদুজ্জামান বীর বিক্রম, প্রচার সম্পাদক খান সিদ্দিকুর রহমান, যুব সম্পাদক নাসির হোসেন, যুবনেতা কাজী হাবিব, শ্রমিক নেতা রফিকুল ইসলাম পথিক, যুবনেতা রওশন ইয়াজদানি, যুবনেতা মাহমুদৌল্লাহ মধু, ছাত্রনেতা সানজিদ রহমান শুভ প্রমুখ।

ভেঙে দেওয়া কমিটির নির্বাহী সভাপতি অ্যাডভোকেট মহসিন রশীদ বলেন, মোস্তফা মহসিন মন্টু, আবু সাইয়িদ ও সুব্রত চৌধুরী দলকে নিজেদের কব্জায় নিতে চায়। তারা কামাল হোসেনের নেতৃত্ব মানেন না। এজন্য দলের মধ্যে বিশৃঙ্খলা সৃষ্টি করেছে। ফলে কামাল হোসেন কমিটি ভেঙে দিয়েছেন।

এদিকে বুধবার (১০ মার্চ) মোস্তফা মহসিন মন্টুর বাসায় বৈঠক করেন আবু সাইয়িদ, সুব্রত চৌধুরীসহ ভেঙে দেওয়া কমিটির ১৫ থেকে ২০ জন নেতা।

এ বিষয়ে মোস্তফা মহসিন মন্টু বলেন, ৭ মার্চের আলোচনা সভায় সাইয়িদ আমাকে দাওয়াত দিয়েছিলেন, আমি গিয়েছি। এর সঙ্গে আমি যুক্ত ছিলাম না। গতকালও তারা আমার বাসায় এসেছিল। আমি আশাবাদী উভয়পক্ষের সমঝোতা হবে। কারণ গণফোরাম জাতিকে ভালো কিছু দিতে পারেনি। এখন নতুন দল করে গণফোরামকে আরও দুর্বল করলে লাভ হবে না।

আবু সাইয়িদ বলেন, ড. কামাল হোসেন আমাদের অভিভাবক। আশা করি তিনি আমাদের ডাকবেন। সবকিছু মিমাংসা করে দলকে আরও শক্তিশালী করবেন। আমার গতকাল বসেছিলাম কিভাবে বিষয়টি সমাধান করা যায় তা নিয়ে নিয়ে। এর বাইরে আর কিছু না।

বিজনেস আওয়ার/১২ মার্চ, ২০২০/এ

এই বিভাগের অন্যান্য খবর

উপরে