ঢাকা, মঙ্গলবার, ২০ আগস্ট ২০১৯, ৫ ভাদ্র ১৪২৬


এইডস নিয়ে যতো ভুল ধারণা

২০১৭ ডিসেম্বর ১০ ১৬:১৭:০৮

বিশ্বের অন্যতম ভয়ঙ্কর রোগ হিসেবে পরিচিত এইডস। এই রোগ নিয়ে মানুষের মনে ভয় থাকলেও বেশিরভাগই সচেতন নন এ সম্পর্কে। বিশ্বব্যাপী নানা প্রচার প্রচারণার পরও তাই এই রোগ নিয়ে ভ্রান্ত ধারণার প্রচলন সবচেয়ে বেশি।

জেনে নিন রোগটি সম্পর্কে প্রচলিত কিছু ভুল ধারণার কথাঃ

বাবা-মায়ের এইডস হলে সুস্থ সন্তান জন্মাবে নাঃ


অধিকাংশ ক্ষেত্রেই নারী এইডস আক্রান্ত হওয়ার পর তার সন্তানেরও এইচআইভি পজেটিভ হওয়ার আশঙ্কা থাকে। তবে অনেক সময়ই দেখা যায় নারী গর্ভবতী হওয়ার পর এইডসে আক্রান্ত হয়েছে। সেক্ষেত্রে ক্ষেত্র বিশেষে এইডস থেকে রেহাই মিলতে পারে শিশুর।

এইচআইভি পজেটিভ হওয়া মানেই এইডস আক্রান্ত হওয়াঃ


এইচআইভি ভাইরাস কারও শরীরে পাওয়া গেলে তাকে এইচআইভি পজেটিভ ধরা হয়। কিন্তু সেই ভাইরাস দ্বারা শরীরে ইনফেকশন না হওয়া পর্যন্ত কেউ এইডসে আক্রান্ত হয় না। অনেকসময় ওষুধ সেবন করে ও চিকিৎসকদের কথা মেনে চললে এইচআইভি সংক্রমণ ঠেকানো যায় অনেক দিন।

এইচআইভি টেস্ট নেগেটিভ আসা মানেই অরক্ষিত যৌন মিলন করা যায়ঃ


সদ্য এইচআইভিতে আক্রান্ত হলে অনেক সময় তা পরীক্ষায় ধরা পড়েনা। তাই এই পরীক্ষা বারবার করতে হয় এবং প্রতিবার যৌনমিলনের আগে কনডম ব্যবহার করা উচিৎ

পিআরপি নিলে কনডম ব্যবহারের প্রয়োজন নেইঃ


প্রি-এক্সপোজার প্রফিলেক্সিস এক ধরনের মেডিকেশন যা এইচআইভি ইনফেকশন ছড়িয়ে পড়া রুখতে পারে। তবে পিআরইপি মিলনের সময় এইচআইভি সংক্রমণ রুখতে পারে এমন কোনো প্রমাণ পাননি বিজ্ঞানীরা।

স্বামী-স্ত্রী দুজনই এইচআইভি পজেটিভ হলে কনডম ব্যবহারের দরকার নেইঃ


এইচআইভি পজেটিভদের মধ্যেও সংক্রমণের নানা রকম মাত্রা থাকে। অরক্ষিত যৌনমিলনের ফলে অনেক সময় ইনফেকশন পরিণত হয় সুপারইনফেকশনে। তাই জটিলতা এড়াতে সবসময়ই কনডম ব্যবহার করা উচিৎ।


বিজনেস আওয়ার / ১০ ডিসেম্বর / এমএএস

উপরে