sristymultimedia.com

ঢাকা, শনিবার, ১৪ ডিসেম্বর ২০১৯, ২৯ অগ্রহায়ণ ১৪২৬


চুয়াডাঙ্গায়‘বন্দুকযুদ্ধে’চরমপন্থী নেতা নিহত

১০:০৩এএম, ২৭ ডিসেম্বর ২০১৭

বিজনেস আওয়ার প্রতিবেদকঃ চুয়াডাঙ্গা সদর উপজেলায় পুলিশের সঙ্গে ‘বন্দুকযুদ্ধে’কেতু (৪০) নামে একজন নিহত হয়েছে।

মঙ্গলবার রাত ২টার দিকে এ বন্দুকযুদ্ধের ঘটনা ঘটে। নিহত কেতু পূর্ববাংলা কমিউনিস্ট পার্টির (লাল পতাকা) আরিফ গ্রুপের সেকেন্ড ইন কমান্ড ও সদর উপজেলার আকুন্দবাড়িয়া গ্রামের শওকতের ছেলে।

চুয়াডাঙ্গা পুলিশের সহকারী পুলিশ সুপার আহসান হাবিব জানান, কেতু পুলিশের মোস্ট ওয়াটেন্ড তালিকাভুক্ত সন্ত্রাসী ও চরমপন্থী সংগঠন জনযুদ্ধের শীর্ষস্থানীয় নেতা কেতুকে সোমবার সকালে ঢাকার কেরানীগঞ্জ থেকে আটক করা হয়।

সেখান থেকে তাকে চুয়াডাঙ্গায় সদর থানায় আনা হয়। মঙ্গলবার তাকে জিজ্ঞাসাবাদ করা হয়। জিজ্ঞাসাবাদে সে অস্ত্র ও গোলাবারুদ তার হেফাজতে রয়েছে বলে স্বীকার করে।

এরপর তার স্বীকারোক্তি অনুযায়ী মঙ্গলবার রাতে তাকে নিয়ে পুলিশ অস্ত্র উদ্ধারের জন্য বের হয়।

পুলিশ কেতুকে নিয়ে চুয়াডাঙ্গার আলুকদিয়া কানাপুকুর এলাকায় পৌঁছালে ১৫ থেকে ১৬ জনের একদল অস্ত্রধারী পুলিশের গাড়িকে লক্ষ্য করে গুলি চালায়। আত্মরক্ষার্থে পুলিশও পাল্টা গুলি চালায়।

এ সময় কেতু পুলিশের হেফাজত থেকে পালানোর চেষ্টা করলে সে গুলিবিদ্ধ হয়। উদ্ধার করে চুয়াডাঙ্গা সদর হাসপাতালে নেওয়া হলে কর্তব্যরত চিকিৎসক কেতুকে মৃত ঘোষণা করেন।

ঘটনাস্থল থেকে পুলিশ ১টি এলজি সাটারগান, ২ রাউন্ড বন্ধুকের গুলি ও ৬টি বোমা এবং ৬টি চাপাতি উদ্ধার করেছে।

কেতুর লাশ ময়নাতদন্তের জন্য চুয়াডাঙ্গা সদর হাসপাতাল মর্গে রাখা হয়েছে। ময়নাতদন্ত শেষে তার লাশ পরিবারের কাছে হস্তান্তর করা হবে।

কেতুর বিরুদ্ধে ২০১৫ সালের ১০ ডিসেম্বর চুয়াডাঙ্গার আকুন্দবাড়িয়ার চাঞ্চল্যকর জাকারিয়া সাধু হত্যাকাণ্ডসহ ৩টি হত্যা ও ২টি চাঁদাবাজির মামলা রয়েছে বলে জানান চুয়াডাঙ্গা পুলিশের এই মুখপাত্র।


বিজনেস আওয়ার / ২৭ডিসেম্বর / এমএএস

এই বিভাগের অন্যান্য খবর

শঙ্কায় ছাত্র-ছাত্রীরা, এলাকাবাসীর ক্ষোভ
ফসলি জমির মাটি ইটভাটায় বিক্রি

তিন বিভাগে পেট্রলপাম্প ধর্মঘট
তেল বিক্রি বন্ধ, অচল হয়ে যেতে পারে সড়কপথ

উপরে