ঢাকা, শুক্রবার, ১৯ জুলাই ২০১৯, ৪ শ্রাবণ ১৪২৬
sristymultimedia.com

প্রচ্ছদ » ধর্ম » বিস্তারিত


ss-steel-businesshour24

Runner-businesshour24

হারাম কাজ বর্জন করার কারণ

আপডেট : 2018-09-19 19:37:01
হারাম কাজ বর্জন করার কারণ

বিজনেস আওয়ার ডেস্ক: আল্লাহর ঘনিষ্ঠ বন্ধু হতে হলে পরিপূর্ণ ঈমান ও তাকওয়ার অধিকারী হতে হবে। হারাম ও মাকরূহ কাজ বর্জন করতে হবে। কেননা এ হারাম ও মাকরূহ কাজ বর্জন করার পর ‘ঈমান ও তাকওয়া’ হলো আল্লাহর বন্ধু হওয়ার বা তার নৈকট্য অর্জনের মানদণ্ড।

আল্লাহ বন্ধুত্ব ও নৈকট্য অর্জনকে বলা হয় বেলায়েত হাসি। আর এ পথ বা পদ্ধতি অনুসরণকে সুফিবাদের ভাষায় বলা হয় তরিকতে বেলায়াত তথা বেলায়াতের পথ। যারা হারাম বা মাকরূহ কাজ পরিহার করে পরিপূর্ণ তাকওয়া অবলম্বন করবে তারাই বেলায়েত হাসিল করতে পারবে। হতে পারবে আল্লাহর একান্ত বন্ধু।

ইবাদত-বন্দেগির প্রথম ধাপ ফরজ, দ্বিতীয় ধাপ ওয়াজিব, তৃতীয় ধাপ সুন্নাত এবং চতুর্থ ধাপ নফল। এ সবের মধ্যে ফরজ ও নফল বেশি বেশি পালন করলে ওয়াজিব ও সুন্নাত কাজগুলো এমনিতে চলে আসবে।

সে কারণে বেলায়েত হাসিল করতে প্রথমেই ফরজের কথা বলা হয়েছে। অতঃপর বেশি বেশি নফল ইবাদত-বন্দেগির কথা বলা হয়েছে। অধিকাংশ নফল ইবাদতই সুন্নাত অনুযায়ী পালন করে আসছে সূফি মনীষীগণ।

মানুষ যখন ফরজ যথাযথ আদায়ের সুন্নাত তরিকা অনুযায়ী ঈমান সংরক্ষণ করে সব ধরনের হারাম ও নিষেধ বর্জন করে তাকওয়া বা আল্লাহর ভয় অর্জন করেন; তখনই সে হবে আল্লাহ ওলি বা বন্ধু।

মনে রাখতে হবে
আল্লাহ তাআলার নিষেধ করা কাজসমূহ কিংবা যে সব কাজ আল্লাহ তাআলা বান্দার জন্য হারাম করেছেন তা থেকে নিজেদের বিরত রাখতে পারবে; তা-ই হলো ওই ব্যক্তির জন্য তাকওয়া। আর এ কারণেই আল্লাহর বন্ধুত্ব অর্জনের কার্যকরী টনিক হচ্ছে হারাম ও নিষেধমূলক কাজ থেকে বিরত থাকা।

মুজাদ্দেদে আলফে সানি রহমাতুল্লাহি আলাইহি বলেন, আল্লাহ তাআলা নৈকট্য অর্জনে দুই ধরণের আমল রয়েছে-

নামাজ, রোজা, হজ, দান-সাদকা, জিকির, মোরাকাবা ইত্যাদি ফরজ ইবাদত-বন্দেগিগুলোর নফল ইবাদতও রয়েছে। তাই ফরজ যথাযথভাবে আদায়ের পর কেউ যদি এগুলোর নফল আদায় করে তবেই সে হবে আল্লাহর প্রিয়বন্ধু। আর এ ইবাদতগুলো পালনের সবচেয়ে বেশি যে জিনিসটি প্রয়োজন তাহলো ইখলাস বা একনিষ্ঠতা।

সর্বোপরি হারাম ও মাকরূহ কাজ বর্জন করা আল্লাহর নিদের্শ ও ঈমানের একান্ত দাবি। সুতরাং পরিপূর্ণ ঈমান ও তাকওয়া অবলম্বনের সঙ্গে সঙ্গে হারাম ও মাকরূহ কাজগুলো ইখলাসের সঙ্গে বর্জন করা জরুরি। আর তা বাস্তবায়নেই বান্দা আল্লাহ তাআলা বন্ধুতে পরিণত হবে।

আল্লাহ তাআলা মুসলিম উম্মাহকে পরিপূর্ণ ঈমান ও তাকওয়ার অধিকারী হওয়ার তাওফিক দান করুন। বিশেষ করে হারাম ও মাকরূহ কাজসমূহ ইখলাসের সঙ্গে বর্জন করার তাওফিক দান করুন। আমিন।

বিজনেস আওয়ার/ ১৯ সেপ্টেম্বর, ২০১৮/ আর এইচ

পাঠকের মতামত: