ঢাকা, মঙ্গলবার, ২৩ এপ্রিল ২০১৯, ১০ বৈশাখ ১৪২৬
sristymultimedia.com

প্রচ্ছদ » ধর্ম » বিস্তারিত


ss-steel-businesshour24

Runner-businesshour24

দেবী এবার আসবেন ঘোড়ায় চড়ে

আপডেট : 2018-10-05 13:00:32
দেবী এবার আসবেন ঘোড়ায় চড়ে

বিজেনস আওয়ার প্রতিবেদক: ‘দেবী এবার আসবেন ঘোড়ায় চড়ে এবং যাবেন দোলনায় চড়ে’ এমন বিশ্বাসে রাজবাড়ীর পাঁচটি উপজেলার ৪২১টি মণ্ডপে সনাতন ধর্মাবলম্বীদের দুর্গোৎসবের প্রস্তুতি চলছে।‘দেবী এবার আসবেন ঘোড়ায় চড়ে এবং যাবেন দোলনায় চড়ে’ এমন বিশ্বাসে রাজবাড়ীর পাঁচটি উপজেলার ৪২১টি মণ্ডপে সনাতন ধর্মাবলম্বীদের দুর্গোৎসবের প্রস্তুতি চলছে।

এবারও বালিয়াকান্দি উপজেলার জামালপুর ইউনিয়নের নলিয়া জামালপুরের আলোকদিয়া গ্রামে বাঁশের তৈরি ৮টি স্টেজ নিয়ে তৈরি হচ্ছে জেলার সবচেয়ে বড় ও দেশের মধ্যে ব্যতিক্রমী পূজামণ্ডপ। যেখানে পুকুরের ওপর বাঁশ-কাঠ দিয়ে ৬তলা বিশিষ্ট ৮টি স্টেজে ৩০১টি দেব-দেবী প্রদর্শিত হবে।

এটি জেলা নয় দেশের মধ্যে একটি ব্যতিক্রমী পূজামণ্ডপ। যার প্রতি বছরই কিছু না কিছু নতুনত্ব থাকে। মণ্ডপটি দর্শনে দেশের বিভিন্ন প্রান্ত থেকে ভক্তরা আসেন পরিবার পরিজন নিয়ে।

দুই মাস ধরে ৬তলা বিশিষ্ট বাঁশের তৈরি স্টেজটি তৈরির কাজ করছেন ২০ জন মিস্ত্রী। এছাড়া ৭ জন কারিগর ৩ মাস ধরে দেব-দেবীর প্রতিমা তৈরির কাজ করছেন। ইতোমধ্যে স্টেজের প্রায় ৭০ ভাগ কাজ শেষ হয়েছে। আর প্রতীমা তৈরির কাজ শেষে চলছে রং তুলির আঁচড়। রঙের পরেই মণ্ডপে আলোকসজ্জা, প্রতিমার পোশাক আর অলঙ্কার পরানোর কাজ সম্পন্ন হবে।

এ মণ্ডপে রামায়ন-মহাভারতের পৌরানিক কাহিনী অবলম্বনে ৩ শতাধিক দেব-দেবীর প্রদর্শন ও ধর্মীয় বিভিন্ন কাহিনীর সমন্ময়ে পূজার আয়োজন করা হয়েছে। মন্দিরের একপাশ দিয়ে উঠে ঘুরে ঘুরে পর্যায়ক্রমে দেখে অন্যপাশ দিয়ে নামবেন ভক্তরা।

এবার রাজবাড়ীতে মোট ৪২১টি পূজা মণ্ডপে চলছে পূজা উদযাপনের প্রস্তুতি। এরমধ্যে রাজবাড়ী সদর উপজেলায় ১০১টি, বালিয়াকান্দি উপজেলায় ১৪৭টি, পাংশা উপজেলায় ৯৫টি, গোয়ালন্দ উপজেলায় ২৩টি এবং কালুখালী উপজেলায় ৫৩টি মন্ডপে শারদীয় দুর্গোৎসব অনুষ্ঠিত হবে।

বালিয়াকান্দি উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মো. মাসুম রেজা জানান, উপজেলার জামালপুরে বাঁশ ও কাঠ দিয়ে যে পূজামণ্ডপটি তৈরি হচ্ছে সেটি দেশের বৃহত্তম মণ্ডপের একটি। তিনি ইতোমধ্যে উপজেলা ইঞ্জিনিয়ারকে নিয়ে মণ্ডপ স্থান পরিদর্শন করেছেন।

বিজনেস আওয়ার/০৫ অক্টোবর,২০১৮/আরএইচ

পাঠকের মতামত: