ঢাকা, রবিবার, ২৬ মে ২০১৯, ১২ জ্যৈষ্ঠ ১৪২৬
sristymultimedia.com

প্রচ্ছদ » লাইফস্টাইল » বিস্তারিত


ss-steel-businesshour24

Runner-businesshour24

যেসব খাবার একসঙ্গে খাবেন না

আপডেট : 2018-11-16 10:40:50
যেসব খাবার একসঙ্গে খাবেন না

বিজনেস আওয়ার ডেস্ক : পছন্দের খাবার সামনে এলে লোভ সামলে রাখা দায় হয়ে পড়ে ভোজনরসিকদের। সব পদ থেকেই একটু করে চেখে দেখতে মনে চায়। কিন্তু চিকিৎসকদের মতে, কিছু খাবার আছে যা একসঙ্গে খেলে শরীরের নানাবিধ ক্ষতি হয়। তাতে হজমে সমস্যা তো বটেই এমনকি, দিনের পর দিন একসঙ্গে খেলে বিষক্রিয়ায় মৃত্যু পর্যন্তও হতে পারে। না জেনে এমন খাবার আপনিও খাচ্ছেন না তো? চলুন দেখে নেই-

মাংস ও দুধ: এই খাবার দুটি একসঙ্গে না খাওয়ার কথা অনেকে জানলেও সবসময় তা মেনে চলা হয় না। মাংসে প্রচুর প্রোটিন থাকে। এদিকে দুধও সুষম আহার। তাই এই দুই খাবার পরপর খেলে শরীরে তাৎক্ষণিক সময়ের জন্য প্রোটিনের পরিমাণ বেড়ে যায়। একাধিক পুষ্টি উপাদানের মধ্যে বিশেষ কোনো ধরনের উপাদানের মাত্রাতিরিক্ত উপস্থিতি শরীরের জন্য ভালো নয়।

তরমুজ ও পানি: তরমুজে প্রচুর পরিমাণ পানি থাকে। তাই তরমুজের পরে পানি পান করলে শরীরে পানির পরিমাণ বেড়ে যায়। ইউরিক অ্যাসিড, হজম সমস্যা বা গ্যাস্ট্রিকে ভুগলে পানির এই মাত্রাতিরিক্ত উপস্থিতি শরীরের বেশি ক্ষতি করে।

চা ও দই: এই দুই প্রকার খাবারেই অম্ল রয়েছে। একসঙ্গে বা সামান্য বিরতি দিয়ে পরপর এই ধরনের খাবার খাওয়া মানে পাকস্থলীতে অ্যাসিডের মাত্রা বেড়ে যাওয়া। এতে শরীরে হজমজনিত সমস্যা দেখা দেয়। অম্লতার অসুখ আগে থেকে থাকলে আরও বেশি সতর্ক থাকা প্রয়োজন।

ঠান্ডা পানীয় ও পুদিনা: শরীরের ভিতর এই দুটি খাবার তীব্র রাসায়নিক বিক্রিয়া ঘটায়। এতে হজমের গোলমালতো বটেই, বিক্রিয়ায় ফলে সায়ানাইডও উৎপন্ন হতে পারে। তাই এই দুটি খাবার একেবারেই একসঙ্গে খাবেন না।

দুধ ও অ্যান্টিবায়োটিক: কয়েকটি অ্যান্টিবায়োটিক আছে যা শরীরে লোহা ও ক্যালসিয়ামের মতো খনিজের শোষণকে প্রতিরোধ করে। তাই অ্যান্টবায়োটিক চলাকালীন চিকিৎসকের সঙ্গে পরামর্শ করে নিন ওই ওষুধ চলাকালীন দুধ খাওয়ায় বিধিনিষেধ আছে কি না।

দুধ ও লেবু: দুধ ও লেবু একসঙ্গে মেশালে দুধ কেটে যায়। পেটের ভিতরেও একই রকম হয়। অনেকে ভাবেন পেটে পাচক রসে লেবুর তুলনায় অনেক বেশি অ্যাসিডের ভাগ থাকে। কিন্তু মনে রাখবেন, শরীর সেসব রসের সাহায্যে পরিপাকক্রিয়ায় অংশ নিতে অভ্যস্ত। বাইরে থেকে অতিরিক্ত অ্যাসিড যোগ হলে এই পদ্ধতি বাধাপ্রাপ্ত হয়।
বিষয়টি নিয়ে কথা হয় গণফোরামের সাধারণ সম্পাদক ও জাতীয় ঐক্যফ্রন্টের নেতা মোস্তফা মহসিন মন্টুর সঙ্গে। তিনি বলেন, ‘আমরা সুনির্দিষ্ট লক্ষ্য নিয়ে জোট করেছি। দুঃশাসনের পতন ঘটিয়ে অবশ্যই ফের দুঃশাসন প্রতিষ্ঠা পাক, তা কেউ চাইবে না। নির্বাচনের ব্যাপারে আমরা বেশ সতর্ক। প্রার্থী নির্বাচনের বিষয়ে কোনো ছাড় দিতে চাই না। কোনো বিতর্কিত ব্যক্তি মনোনয়ন পাক, সেটা আমরা চাই না। আমাদের একমাত্র লক্ষ্য জয়। সে জন্যই কাজ করে যাচ্ছি।’

তিনি আরও বলেন, ‘প্রার্থী দেয়ার ব্যাপারে আমরা পরস্পরের সঙ্গে আলোচনা করছি। আলোচনা অব্যাহত থাকবে। বিতর্কিতদের এড়িয়ে যোগ্য ব্যক্তিকে মনোনয়ন দেয়ার ব্যাপারে আমরা প্রতিজ্ঞাবদ্ধ।’

নাগরিক ঐক্যের আহ্বায়ক ও ঐক্যফ্রন্টের অন্যতম নেতা মাহমুদুর রহমান মান্না বলেন, ‘আমরা স্বৈরশাসকের পতন ঘটাতে ঐক্যবদ্ধ হয়েছি। মানুষ পরিবর্তনের জন্য মুখিয়ে আছে। মানুষের আবেগ ধারণ করেই আমাদের পথচলা। জনগণ যার প্রতি ভরসা পাবে আমরা তাকে নিয়ে নির্বাচনী মাঠে লড়াই করবো।’

এর আগে রাজধানীর মতিঝিলে ড. কামাল হোসেনের চেম্বারে ঐক্যফ্রন্টের স্টিয়ারিং কমিটির বৈঠক শেষে মাহমুদুর রহমান মান্না বলেন, ‘আমরা যতগুলো দল মিলে জাতীয় ঐক্যফ্রন্ট গঠন করেছি, তারা সবাই একটি কমন প্রতীক নিয়ে এবারের নির্বাচনে অংশ নেব। সেই কমন প্রতীক হবে ধানের শীষ।’

আসন বণ্টন নিয়ে বৈঠকে কোনো আলোচনা হয়েছে কি না- এমন প্রশ্নের জবাবে মান্না বলেন, ‘এ বিষয়ে আলোচনা হয়নি। তবে এ বিষয়ে আলোচনার যাত্রা শুরু করেছি।’

বিএনপির যুগ্ম-মহাসচিব রুহুল কবির রিজভী বলেন, নির্বাচন হচ্ছে আন্দোলনের অংশ। নির্বাচন বয়কট করতে বাধ্য করবে না সরকার- এমনটি আশা করছি। তবে সরকার নির্বাচন ঘিরে অতিমাত্রায় আগ্রাসী হয়ে উঠছে বলে অভিযোগ করেন তিনি।

প্রার্থী বাছাই প্রসঙ্গে রিজভী বলেন, ‘প্রার্থী মনোনয়ন নিয়ে জোটের মধ্যে আলোচনা চলছে। সবার পরামর্শ নিয়েই আমরা প্রার্থী বাছাই করব।’

বিজনেস আওয়ার / ১৬ নভেম্বর, ২০১৮ / আরএইচ

পাঠকের মতামত: