ঢাকা, রবিবার, ২৬ মে ২০১৯, ১২ জ্যৈষ্ঠ ১৪২৬
sristymultimedia.com

প্রচ্ছদ » স্বাস্থ্য » বিস্তারিত


ss-steel-businesshour24

Runner-businesshour24

পিরিয়ড দেরিতে হওয়ার কারণ

আপডেট : 2018-12-18 22:16:53
পিরিয়ড দেরিতে হওয়ার কারণ

বিজনেস আওয়ার ডেস্কঃ সাধারণত ১২ থেকে ৫৫ বছর বয়সী নারীদের প্রতি ২৮ থেকে ৩৫ দিন পর পর পিরিয়ড বা মাসিক হয়ে থাকে। প্রাপ্তবয়স্ক নারীর সময়মতো মাসিক হওয়াটাই স্বাভাবিক এবং সুস্বাস্থ্যের লক্ষণ। যদি এমন হয়, মাসিক অনিয়মিত হচ্ছে তাহলে বুঝতে হবে শারীরিক কোনো সমস্যা আছে।

মাসিক দেরি হওয়ার জন্য সাধারণত যে বিষয়গুলো দায়ী তা জেনে রাখুন-

গর্ভাবস্থা: পিরিয়ড দেরি হলে প্রথমেই নিশ্চিত হোন আপনি অন্তঃসত্ত্বা হয়ে পড়েছেন কিনা।

বয়স: হরমোনের সমস্যা।

স্ট্রেস: লম্বা সময় স্ট্রেসে থাকলে অনেকেরই মাসিক দেরিতে হতে পারে।

আর্লি প্রেগন্যান্সি লস: একজন নারী গর্ভবতী হয়ে পড়েছিলেন, কিন্তু তা জানতেন না। এর পর নিজে থেকেই তার মিসক্যারিজ বা গর্ভপাত হয়ে যেতে পারে। এ ঘটনায় সাধারণ পিরিয়ডের তুলনায় কিছু দিন পর ভারী রক্তপাত হতে পারে, যাকে অনেকেই দেরিতে মাসিক হওয়া বলে ধরে নেন।

কম ওজন: ওজন কম হলে সময়মতো পিরিয়ড নাও হতে পারে। এমনকি কিছু দিন বন্ধও থাকতে পারে।

ফাইব্রয়েডস: জরায়ুতে টিউমার ধরনের এক ধরনের বৃদ্ধি হল ফাইব্রয়েডস। এগুলো পিরিয়ডের স্বাভাবিক চক্রকে বাধা দিতে পারে।

হরমনাল বার্থ কন্ট্রোল: জন্মনিয়ন্ত্রণ পদ্ধতি ব্যবহার করা। যেমন- পিল, প্যাচ, ইনজেকশন, আইইউডি। এগুলো ব্যবহার করলে পিরিয়ড লেট হওয়া বা পরিবর্তন হওয়াটা স্বাভাবিক।

স্বাস্থ্য সমস্যা: মনোনিউক্লিওসিস, ঠাণ্ডা, সর্দি, গলার ইনফেকশন- এ ধরনের সমস্যায় পিরিয়ড লেট হতে পারে। তবে বড় কোনো স্বাস্থ্য সমস্যা যেমন থাইরয়েডের সমস্যা বা পলিসিস্টিক ওভারি সিনড্রোমের কারণেও পিরিয়ড লেট হতে দেখা যায়। সূত্র: হাফিংটন পোস্ট

বিজনেস আওয়ার/১৮ ডিসেম্বর,২০১৮/আরআই

পাঠকের মতামত: