ঢাকা, রবিবার, ১৬ জুন ২০১৯, ২ আষাঢ় ১৪২৬
sristymultimedia.com

প্রচ্ছদ » কর্পোরেট » বিস্তারিত


eid-ul-fitor-businesshour24

ss-steel-businesshour24

Runner-businesshour24

'সাইবার সিকিউরিটি চ্যালেঞ্জ ২০১৮' চ্যাম্পিয়ন পাবনা পলিটেকনিক ইনস্টিটিউট

আপডেট : 2018-12-24 12:11:30
'সাইবার সিকিউরিটি চ্যালেঞ্জ ২০১৮' চ্যাম্পিয়ন পাবনা পলিটেকনিক ইনস্টিটিউট


বিজনেস আওয়ার ডেস্ক : ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়, শাহাজালাল বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয় কিংবা জাহাঙ্গীরনগরের মতো দেশের সেরা সব বিশ্ববিদ্যালয়কে পেছনে ফেলে ‘সাইবার সিকিউরিটি চ্যালেঞ্জ-২০১৮’ শীর্ষক প্রতিযোগিতায় চ্যাম্পিয়ন হয়েছে পাবনা পলিটেকনিক ইনস্টিটিউট-এর 'ইরর স্কোয়াড বাংলাদেশ' দল। চ্যাম্পিয়ন দলের সদস্যরা হলেন প্রিয়াল ইসলাম, মো. আবদুললাহ ও তাসদির আহমেদ।

অ্যাডভান্স টেকনোলজি বিডির আয়োজনে গত শনিবার রাজধানীর ড্যাফোডিল ইন্টারন্যাশনাল ইউনিভার্সিটিতে অনুষ্ঠিত হয় প্রতিযোগিতার চূড়ান্ত পর্ব ও পুরষ্কার বিতরণী অনুষ্ঠান। প্রতিযোগিতায় প্রথম রানার আপ হয়েছে ইউনাইটেড কলেজ অব এভিয়েশেন, সায়েন্স এন্ড ম্যানেজমেন্ট (ইউসিএএসএম)-এর দল মিনজুরুল ইসলাম, রাফিন হোসেন ও সাবিত শাফির দল ‘ফ্রগ হান্টার’।

দ্বিতীয় রানার আপ হয়েছে মিলিটারি ইনস্টিটিউট অব সায়েন্স এন্ড টেকনোলজি (এমআইএসটি)-এর মেহেদি হাসান মিরাজ, আসাদুজ্জামান আসাদ ও সানজিদার দল ‘সাইবার নাট্স’ এবং নারী দল হিসেবে বিজয়ী হয়েছে ইউনির্ভার্সিটি অব এশিয়া প্যাসিফিক-এর দল ‘ইউএপি মিস্টিক্যাল৬’। দলের সদস্যরা হলেন সামিয়া হক, আনিকা তাবাসসুম ও জান্নাতুল ফেরদৌস ইভা।

প্রতিযোগিতায় চ্যাম্পিয়ন দলের প্রত্যেকের জন্য ল্যাপটপ, প্রথম রানার্স আপ দলের জন্য স্মার্টফোন এবং দ্বিতীয় রানার্স আপ দলের জন্য পুরস্কার হিসেবে ট্যাবলেট পিসিসহ ক্রেস্ট, রিভ এন্টিভাইরাস এবং সনদপত্র দেওয়া হয়। বিজয়ী নারী দলকে বিশেষ সম্মননা প্রদান করা হয়। এছাড়া বিজয়ী দলগুলোর সদস্যরা দেশের শীর্ষ আইটি প্রতিষ্ঠানে ইন্টার্ন করার সুযোগ পাবে।

সমাপনী ও পুরষ্কার বিতরণী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন সাবেক ডাক, টেলিযোগাযোগ এবং তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি মন্ত্রী মোস্তাফা জব্বার, বেসিস সভাপতি সৈয়দ আলমাস কবীর, আইএসপিএবি সভাপতি এম এ হাকিম, ডেফোডিল গ্রুপের অঙ্গ প্রতিষ্ঠান সাইবার সিকিউরিটি সেন্টারের পরিচালক অধ্যাপক ড. তৌহিদ ভুইয়া, ডলফিন কম্পিউটারর্স লিমিটেডের পরিচালক (মার্কেটিং ও অপারেশন্স) মনোয়ারুল ইসলাম, পাঠাও-এর হেড অব প্ল্যাটফর্ম এবং ডাটা ইঞ্জিনিয়ারিং সাফকাত আসিফ, স্মার্ট টেকনোলজিস (বিডি) পরিচালক (বিপণন) মুজাহিদ আলবিরুনী সুজন, আইপে’র হেড অব বিজনেস অ্যান্ড স্ট্যাটেজি মো. আবুল খায়ের চৌধুরী, সাইবার সিকিউরিটি চ্যালেঞ্জ প্রতিযোগিতার আহ্বায়ক আবদুর রহমান শাওন প্রমুখ।

‘বি দ্য আলটিমেট সিকিউরিটি স্পেশালিস্ট’ স্লোগানে প্রতিযোগিতায় প্রাথমিক পর্বে সর্বোচ্চ তিন সদস্যের দল গঠনের মাধ্যমে দুই শতাধিক টিম নিবল্পব্দন করে। গত ২ ডিসেম্বর রাজধানীর আমেরিকা ইন্টারন্যাশনাল বিশ্ববিদ্যালয় বাংলাদেশ-এ উদ্বোধনের পর দেশের আরও আটটি বিশ্ববিদ্যালয়ে অ্যাক্টিভেশন কার্যক্রম চলে। এরপর অনলাইনে পরীক্ষার মাধ্যমে প্রতিযোগিতার চূড়ান্ত আয়োজনে দেশের বিভিন্ন বিশ্ববিদ্যালয়ের বাছাইকৃত ৪০টি দল অংশগ্রুহণের সুযোগ পায়।

বাছাইকৃত দলগুলো চূড়ান্ত আয়োজনে সকালে তিন ঘণ্টাব্যাপী ‘ওয়েব ভালনারেবিলিটি অ্যাসেসমেন্ট’ বিষয়ে পরীক্ষায় অবতীর্ণ হয়। দেশের শীর্ষ সাইবার সিকিউরিটি বিশেষজ্ঞের ১০জনের একটি দল বিচারকার্য মহৃল্যায়ন করেন। মধ্যাহ্ন বিরতির পর ছিল ‘ডিজিটাল বাংলাদেশ ও সাইবার সিকিউরিটি’ বিষয়ে প্যানেল ডিসকাশন। এতে মূল প্রবন্ধ উপস্থাপন করেন স্মার্ট টেকনোলজিস বিডির এজিএম ও সফটওয়্যার বিভাগের প্রধান মো. মিরশাদ হোসেন।

আলোচক হিসেবে ছিলেন বাংলাদেশ উইমেন ইন আইটির (বিডব্লিউআইটি) সাধারণ সম্পাদক রেজওয়ানা খান, আইপে’র হেড অব বিজনেস অ্যান্ড স্ট্র্যাটেজি মো. আবুল খায়ের চৌধুরী, রাইট টাইমসের প্রধান নির্বাহী ও সাইবার সিকিউরিটি বিশেষজ্ঞ তৌহিদুর রহমান ভূইয়া। এরপর সমাপনী ও পুরস্কার বিতরণী পর্ব অনুষ্ঠিত হয়।

সমাপনী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে মোস্তাফা জব্বার বলেন, তথ্যপ্রযুক্তি খাতে সাইবার সিকিউরিটি একটি গুরুপূর্ণ বিষয়। ডিজিটাল বাংলাদেশকে সুরক্ষিত রাখতে আমাদের তরুণদের যোগ্যতা রয়েছে। আশা করছি এ ধরনের প্রতিযোগিতার মাধ্যমে সাইবার সিকিউরিটিতে আরও দক্ষ তরুণ কর্মী উঠে আসবে।

বেসিস সভাপতি আলমাস কবীর তরুণ শিক্ষার্থীদের উদ্দেশ্যে বলেন, বিশ্ব যত ডিজিটাল হবে সাইবার সিকিউরিটির গুরুত্ব তত বাড়তে থাকবে। সাইবার সিকিউরিটিতে আমাদের দারুন সুযোগ রয়েছে। আমাদের যে কোনো একটি বিষয়ে দক্ষতা অর্জন করতে হবে। এখন যেমন তথ্যপ্রযুক্তি বিশ্ব হ্যাকারদের প্রসঙ্গ বললে রাশিয়া কিংবা চীনের কথা বলে তেমনি সাইবার সিকিউরিটির কথা বললে যেন বাংলাদেশের কথা বলে। বাংলাদেশ যেন সাইবার সিকিউরিটি বিশেষজ্ঞদের দেশ হিসেবে পরিচিত হয় এ লক্ষ্য নিয়ে এগোতে পারলে তথ্যপ্রযুক্তি খাতে আমরা বিশে^র অন্যতম শীর্ষ দেশ হতে পারব।

প্রতিযোগিতার পাওয়ার্ড বাই স্পন্সর ছিল জনপ্রিয় রাইড শেয়ারিং প্লাটফর্ম পাঠাও। এছাড়া কোস্পন্সর ছিল আইপে, এসসিএসএল, ক্যাস্পারস্কি ও মেট্রোনেট। আর স্ট্র্যাটেজিক পার্টনার হিসেবে বেসিস, আইএসপিএবি, বাক্য ও বিডিওএসএন। প্রতিযোগিতার সহযোগী ড্যাফোডিল ইন্টারন্যাশনাল ইউনিভার্সটি এবং সাইবার সিকিউরিটি সেন্টার (সিএসসি)। সিকিউরিটি পার্টনার রিভ এন্টিভাইরাস এবং মিডিয়া সহযোগী কনসিটো পিআর ও ঢাকা লাইভ।

বিজনেস আওয়ার/২৪ ডিসেম্বর, ২০১৮/এমএএস

এ বিভাগের অন্যান্য সংবাদ

পাঠকের মতামত: