ঢাকা, রবিবার, ২৪ মার্চ ২০১৯, ১০ চৈত্র ১৪২৫
sristymultimedia.com

প্রচ্ছদ » অর্থনীতি » বিস্তারিত


ss-steel-businesshour24

Runner-businesshour24

'বাংলাদেশের প্রবৃদ্ধি কমেতে পারে'

আপডেট : 2019-01-10 12:58:45
'বাংলাদেশের প্রবৃদ্ধি কমেতে পারে'

বিজনেস আওয়ার প্রতিবেদক : বাংলাদেশের মোট দেশজ উৎপাদন (জিডিপি) প্রবৃদ্ধি গত অর্থবছরের চেয়ে চলতি অর্থবছর (২০১৮-১৯) কমবে বলে পূর্বাভাস দিয়েছে বিশ্বব্যাংক। সংস্থাটি জানিয়েছে চলতি অর্থবছরে প্রবৃদ্ধি হবে ৭ শতাংশ। আবার ২০১৯-২০ অর্থবছরে জিডিপি প্রবৃদ্ধি আরও কমে ৬ দশমিক ৮ শতাংশ হবে বলে পূর্বাভাস দিয়েছে সংস্থাটি।

বৈশ্বিক অর্থনৈতিক সম্ভাবনা ২০১৯ (গ্লোবাল ইকোনমিক প্রসপেক্টাস) শীর্ষক প্রতিবেদনে এসব তথ্য জানায় সংস্থাটি। মঙ্গলবার রাতে ওয়াশিংটনে এটি প্রকাশ করা হয়।

বাংলাদেশের সরকারি পূর্বাভাস অনুযায়ী, চলতি অর্থবছরে জিডিপি প্রবৃদ্ধি ৭ দশমিক ৮ শতাংশ হবে বলে আশা করা হচ্ছে।

বিশ্বব্যাংকের প্রাক্কলন সরকারের লক্ষ্যমাত্রার চেয়ে অনেক কম। গত অর্থবছরের প্রবৃদ্ধি অর্জনের পরিপ্রেক্ষিতে অর্থমন্ত্রী ও সাবেক পরিকল্পনামন্ত্রী আ হ ম মুস্তফা কামাল বিভিন্ন সময়ে এবার প্রবৃদ্ধি ৮ শতাংশ ছাড়াবে বলে আভাস দিয়েছেন।

বিশ্বব্যাংকের প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, গত অর্থবছরে বাংলাদেশে ৭ দশমিক ৯ শতাংশ প্রবৃদ্ধি অর্জনের পেছনে চালিকাশক্তি ছিল বেসরকারি ভোগ ও রেমিট্যান্স প্রবাহ।

সংস্থাটি জানিয়েছে, চলতি অর্থবছরেও অর্থনীতিতে তেজিভাব থাকবে। তবে প্রবৃদ্ধি কিছুটা কমে ৭ শতাংশ হবে। বেসরকারি খাতে ভোগ ব্যয় এবং বড় প্রকল্পের বাস্তবায়নে সরকারের ব্যয় প্রবৃদ্ধির পেছনে ভূমিকা রাখবে।

চলতি অর্থবছর দক্ষিণ এশিয়ার আটটি দেশের মধ্যে প্রবৃদ্ধি অর্জনের ক্ষেত্রে বাংলাদেশের অবস্থান হবে তৃতীয়। প্রথম অবস্থানে থাকবে ভুটান। ২০১৮-১৯ অর্থবছরে দেশটির প্রবৃদ্ধি হবে ৭ দশমিক ৬ শতাংশ। দ্বিতীয় অবস্থানে থাকবে ভারত, দেশটির প্রবৃদ্ধি হবে ৭ দশমিক ৩ শতাংশ।

সার্বিক দিক দিয়ে চলতি অর্থবছর দক্ষিণ এশিয়ার আঞ্চলিক প্রবৃদ্ধি বেড়ে হবে ৭ দশমিক ১ শতাংশ। ভারতের শক্তিশালী প্রবৃদ্ধি আঞ্চলিক প্রবৃদ্ধি বাড়াতে ভূমিকা রাখবে।

দক্ষিণ এশিয়ার অন্যান্য দেশের মধ্যে ২০১৮-১৯ অর্থবছরের বিবেচনায় মালদ্বীপে ৬ দশমিক ৩ শতাংশ, নেপালে ৫ দশমিক ৯ শতাংশ, পাকিস্তানে ৩ দশমিক ৭ শতাংশ এবং আফগানিস্তানে ২ দশমিক ৪ শতাংশ প্রবৃদ্ধির প্রাক্কলন করেছে বিশ্বব্যাংক।

প্রতিবেদনে দক্ষিণ এশিয়ার দেশগুলোর কারও আলাদা ঝুঁকি উল্লেখ করা হয়নি। তবে বলা হয়েছে, চ্যালেঞ্জিং রাজনৈতিক পরিবেশ কোনো কোনো দেশের অর্থনৈতিক কর্মকাণ্ডে নেতিবাচক প্রভাব ফেলতে পারে। এ অঞ্চলের দেশগুলোতে উচ্চমাত্রার সরকারি ঋণকে ভবিষ্যতের অন্যতম ঝুঁকি হিসেবে উল্লেখ করা হয়।

বিজনেস আওয়ার/১০ জানুয়ারি, ২০১৮/এমএএস

পাঠকের মতামত: