ঢাকা, সোমবার, ২৭ মে ২০১৯, ১৩ জ্যৈষ্ঠ ১৪২৬
sristymultimedia.com

প্রচ্ছদ » খেলা » বিস্তারিত


ss-steel-businesshour24

Runner-businesshour24

সিরিজ খোয়াল টাইগাররা

আপডেট : 2019-02-16 11:22:42
সিরিজ খোয়াল টাইগাররা

স্পোর্টস ডেস্ক : একদিকে প্রতিকূল য়াবহাওয়া আর অন্যদিকে রান সংগ্রহও খুব একটা বড় নয়। এমন ম্যাচে নিউজিল্যান্ডের বিপক্ষে সিরিজের দ্বিতীয় ওয়ানডেতেও পেরে ওঠেনি বাংলাদেশ। মার্টিন গাপটিলের টানা দ্বিতীয় সেঞ্চুরিতে আট উইকেটের বড় ব্যবধানে জয় পায় স্বাগতিকরা। তিন ম্যাচের সিরিজে প্রথম দুই ম্যাচ হেরে যাওয়ায় সিরিজও হাতছাড়া হয় টাইগারদের।

শনিবার ক্রাইস্টচার্চে অনুষ্ঠিত ম্যাচে বাংলাদেশ প্রথমে ব্যাট করে ২২৬ রান সংগ্রহ করে। জবাবে ৩৬.১ ওভারে মাত্র দুই উইকেট হারিয়ে জয়ের লক্ষ্যে পৌঁছে যায় স্বাগিতকরা। প্রথম ম্যাচের মতো এদিনও ব্যাট হাতে দারুণ উজ্জ্বল ছিলেন মার্টিন গাপটিল। খেলেছেন ১১৮ রানের চমৎকার একটি ইনিংস। দলকে জয়ের দুয়ারে পৌঁছে দিয়েই সাজঘরে ফেরেন তিনি।

উদ্বোধনী জুটিতে নিকোলসকে নিয়ে ৭.৪ ওভারেই স্কোরবোর্ডে ৪৫ রান যোগ করেন গাপটিল। টাইগার বোলারদের পরিবর্তন করিয়েও কোনও সুফল পাচ্ছিলেন না অধিনায়ক মাশরাফি। পরে ৬ষ্ঠ ওভারে বল তুলে দেন মুস্তাফিজের হাতে। তিনি চতুর্থ বলেই ব্রেকথ্রু দেন। প্যাভিলিয়নের পথ দেখান নিকোলসকে। ওটাই শেষ এরপর ক্রিজে এসে উইলিয়ামসন জুটি বাঁধেন গাপটিলের সঙ্গে। করেন ১৪৩ রানের পার্টনারশিপ। যা দলকে জয়ের বন্দরে পৌঁছে দেয়।

দলীয় ১৮৮ রানে দ্বিতীয় উইকেট হিসেবে ফিরে যান মার্টিন গাপটিল। এবারও সেই মুস্তাফিজ। ২৯তম ওভারের পঞ্চম বলে ফিজের শটপিচ ডেলিভারি হুক করতে গিয়ে বাউন্ডারির কাছাকাছি লিটন দাসের ক্যাচে পরিণত হন গাপটিল। যদিও তার আগে কাজের কাজটি তিনি করে যান। ৮৮ বলে ১৪ চার ও ৪ ছয়ে ১১৮ রানের ঝকঝকে ইনিংস খেলেন। তার বিদায়ের পরপরই অর্ধশত তুলে নেন অধিনায়ক উইলিয়ামসন।

শেষ পর্যন্ত তিনি ৬৫ রানে ও টেইলর ২১ রানে অপরাজিত থেকে দলকে জয়ের বন্দরে নিয়ে মাঠ ছাড়েন। অনবদ্য সেঞ্চুরির সুবাদে প্লেয়ার অব দ্য ম্যাচের পুরস্কার যায় গাপটিলের হাতে। বাংলাদেশের হয়ে দুটি উইকেটই লাভ করেন মুস্তাফিজুর রহমান।

এর আগে টস হেরে বৃষ্টিস্নাত সকালে ব্যাটিংয়ে নামে বাংলাদেশ। কিউই বোলারদের পেসে কিছুতেই পেরে ওঠেনি বাংলাদেশ। দলের অর্ধশত পূরণের আগেই প্রথম সারির তিন ব্যাটসম্যান প্যাভিলিয়নের পথ ধরেন। শুরুর এ ধাক্কা সামলাতে সময় লেগেছে ৩৪ ওভার পর্যন্ত। হেগলি ওভালে যেখানে তিনশ’র বেশি রান করাও সম্ভব, সেখানে বাংলাদেশের ব্যাটসম্যানরা নাজেহাল হয়েছে কিউই পেসারদের কাছে।

গত ম্যাচের মতো এই ম্যাচেও অর্ধশতক তুলে নেন মিঠুন। ৬৯ বলে সাতটি চার আর এক ছয়ে করেন ৫৭ রান। মিঠুনের বিদায়ের পর দলের হাল ধরেন সাব্বির রহমান। মাঝে মেহেদী মিরাজ করেন ২০ বলে ১৬ রান। মিঠুনের পর সাব্বিরও যখন অর্ধশতকের কাছে তখনই বাঁধান বিপত্তি। ফার্গুসনের স্লোয়ার বলে জিমি নেশামের হাতে ক্যাচ দিয়ে সাজঘরে ফেরেন ৬৫ বলে ৪৩ রান করে।

শেষদিকে সাইফউদ্দিনের ১০, মাশরাফির ১৩ আর মুস্তাফিজের ৫ রানে ভর করে ৪৯.৪ ওভারে সব উইকেট হারিয়ে উইকেটে ২২৬ রান পর্যন্ত তুলতে পারে বাংলাদেশ। নিউজিল্যান্ডের হয়ে ৩ উইকেট নেন লকি ফার্গুসন। ২ উইকেট করে নেন টড এস্টলে ও জিমি নেশাম। ১টি করে উইকেট নেন হেনরি, ট্রেন্ট বোল্ট, গ্র্যান্ডহোম।

বিজনেস আওয়ার/১৬ ফেব্রুয়ারি, ২০১৮/এমএএস

পাঠকের মতামত: