ঢাকা, মঙ্গলবার, ২৩ জুলাই ২০১৯, ৮ শ্রাবণ ১৪২৬
sristymultimedia.com

প্রচ্ছদ » অর্থনীতি » বিস্তারিত


ss-steel-businesshour24

Runner-businesshour24

মোবাইল ব্যাংকিং বন্ধ করলো দুই ব্যাংক

আপডেট : 2019-03-07 15:00:10
মোবাইল ব্যাংকিং বন্ধ করলো দুই ব্যাংক

বিজনেস আওয়ার প্রতিবেদক : ব্যাবসা প্রতিযোগিতায় টিকতে না পেরে মোবাইল ব্যাংকিং কার্যক্রম বন্ধ করে দিয়েছে এক্সিম ব্যাংক ও আইএফআইসি ব্যাংক। গত বছর থেকে বেসরকারি খাতের এ ব্যাংক দু’টি মোবাইল ব্যাংকিং বন্ধ করেছে। বাংলাদেশ ব্যাংক সূত্রে এ তথ্য জানা গেছে।

জানা গেছে, দেশে ২০১০ সালে চালু হয় মোবাইল ব্যাংকিং। ২০১৮ সাল পর্যন্ত মোবাইল ব্যাংকিং কার্যক্রম পরিচালনার জন্য ২৯টি ব্যাংক বাংলাদেশ ব্যাংকের কাছ থেকে অনুমোদন নিয়েছে। যদিও কার্যক্রম পরিচালনা করছে মূলত ১৮টি ব্যাংক।

বাংলাদেশ ব্যাংকের জানুয়ারি শেষের হিসাব অনুযায়ী, দেশে মোবাইল ফাইন্যান্সিয়াল সার্ভিসেস (এমএফএস) বা মোবাইল ব্যাংকিংয়ের নিবন্ধিত গ্রাহক সংখ্যা ৬ কোটি ৭২ লাখ ৮৮ হাজার। যা আগের মাসে (ডিসেম্বর) ছিল ৬ কোটি ৭৫ লাখ ১৯ হাজার। অর্থাৎ কমেছে ২ লাখ ৩১ হাজার গ্রাহক।

প্রতিবেদনে দেখা গেছে, নিবন্ধিত গ্রাহকদের মধ্যে অনেক হিসাবই সক্রিয় নেই। সক্রিয় গ্রাহক রয়েছে ৩ কোটি ৩৪ লাখ ৯৪ হাজার। এ মাসে প্রতিদিন গড়ে ১ হাজার কোটি ১১৭ টাকা লেনদেন করেছেন প্রত্যেক গ্রাহক।

মোবাইল ব্যাংকিংয়ের মাধ্যমে জানুয়ারি মাসে মোট ৩৪ হাজার ৬২৬ কোটি টাকা লেনদেন হয়েছে। আগের মাসে যার পরিমাণ ছিল ৩২ হাজার ১০৫ কোটি টাকা। সেই হিসাবে এক মাসের ব্যাবধানে প্রায় ৮ শতাংশ হারে বেড়েছে লেনদেন।

বাংলাদেশ ব্যাংকের প্রতিবেদন অনুযায়ী, জানুয়ারি মাসে ক্যাশ-ইন কমেছে ৩৪ শতাংশ, ইউটিলিটি বিল পেমেন্ট কমেছে ৪ শতাংশ, মার্চেন্ট পেমেন্ট কমেছে ৫ শতাংশ এবং সরকারি পেমেন্ট কমেছে ৫৬ শতাংশ। তবে বেতন পরিশোধের পরিমাণ বেড়েছে। আগের মাসের তুলনায় বেতন পরিশোধ বৃদ্ধি পেয়েছে ২২ শতাংশ।

জানা গেছে, নানামুখী ব্যবহার আর সহজলভ্য হওয়ার কারণে গ্রামীণ জনজীবন অনেক সহজ হয়েছে। মোবাইল ব্যাংকিং সেবার মাধ্যমে ঘরে বসেই করা যায় অনেক কাজ।

বাস ও ট্রেনের টিকিট থেকে শুরু করে বিশ্ববিদ্যালয়ের বেতন পরিশোধ করা, কেনাকাটা করা ও বিদ্যুৎ বিল পরিশোধ করা যায় মানুষের হাতের মুঠোয় থাকা ছোট্ট যন্ত্রটির মাধ্যমে।

কিন্তু চলতি বছর থেকে এক্সিম ব্যাংক ও আইএফআইসি ব্যাংক তাদের মোবাইল ব্যাংকিং সেবা বন্ধ করে দিয়েছে। কিন্তু কেন এ সেবা বন্ধ করা হলো সে বিষয়ে ব্যাংক দু'টির পক্ষ থেকে কোনও বক্তব্য পাওয়া যায়নি।

বিজনেস আওয়ার/০৭ মার্চ, ২০১৯/এমএএস

পাঠকের মতামত: