ঢাকা, শুক্রবার, ২৩ আগস্ট ২০১৯, ৮ ভাদ্র ১৪২৬
sristymultimedia.com

প্রচ্ছদ » অর্থনীতি » বিস্তারিত


ss-steel-businesshour24

Runner-businesshour24

পদ্মা সেতুর দশম স্প্যান বসছে আজ

আপডেট : 2019-04-10 10:36:59
পদ্মা সেতুর দশম স্প্যান বসছে আজ

বিজনেস আওয়ার প্রতিবেদক: পদ্মা সেতুর দশম স্প্যান বসানো হচ্ছে বুধবার (১০এপ্রিল)। সেতুর মাওয়া প্রান্তে ১৩ ও ১৪ নম্বর পিলারের ওপর বসানো হবে ‘৩-এ’ স্প্যানটি। এটা নিয়ে সেতুর ১৫০০ মিটার বা দেড় কিলোমিটার দৃশ্যমান হবে।

ইতোমধ্যে সেতুর জাজিরা প্রান্তে আটটি স্প্যান বসানো হয়েছে। মাওয়া প্রান্তে ৪ ও ৫ নম্বর খুঁটিতে অস্থায়ীভাবে একটি স্প্যান বসানো হয়েছে।তবে সেটি ৬ ও ৭ নম্বর খুঁটিতে বসানোর কথা থাকলেও খুঁটি দুইটি প্রস্তুত না থাকায় এটি ৪ ও ৫ নম্বর খুঁটিতে বসানো হয়।৬ ও ৭ নম্বর খুঁটি প্রস্তুত হলে এটি সরিয়ে নেওয়া হবে।

আগামী ২০ এপ্রিলের মধ্যে সেতুর জাজিরা প্রান্তে ৩৩ ও ৩৪ নম্বর খুঁটিতে ১১তম স্প্যানটি (‘৬-সি’) বসানোর কথা রয়েছে।

সেতুর ৪১টি স্প্যানের মধ্যে বাংলাদেশে পৌঁছেছে ২১টি। এর মধ্যে ৯টি স্প্যান সেতুর খুঁটিতে বসানো হয়েছে। দুইটি পুরোপুরি প্রস্তুত।এছাড়া কুমারভোগের বিশেষায়িত ওয়ার্কশপে তিনটিতে রঙের ও চারটির ওয়েলডিংয়ের কাজ চলছে।

আরো তিনটি রয়েছে ওয়েল্ডিংয়ের অপেক্ষায়। বাকি ২০টি স্প্যানের মধ্যে ১৬টিই চীনে তৈরি হয়ে আছে। কুমারভোগ কনস্ট্রাকশন ইয়ার্ডে স্থান সংকুলান না হওয়ায় চীন থেকে ধীরে ধীরে স্প্যান আনা হচ্ছে বলে প্রকৌশলীরা জানিয়েছেন।

পদ্মা নদীর বুকে এ পর্যন্ত সেতুর ২১৫টি পাইল বসানো হয়েছে। আলোচিত ৬ ও ৭ নম্বর খুঁটিতে সাড়ে ছয়টি করে পাইল বসে গেছে। দুই-তিন দিনের মধ্যে এ দুটি খুঁটিতে সাতটি করে পাইল বসানো শেষ হবে। এছাড়া ২৯, ৮, ১০ ও ১১ নম্বর খুঁটিতে বাকি পাইল বসানোর কাজ চলছে। ২৪০০ ও ৩৫০০ কিলোজুল ক্ষমতাসম্পন্ন হ্যামার দুটি পাইল বসাচ্ছে।

যদিও ১৯০০ কিলোজুল ক্ষমতার হ্যামারটি এখনো অচল অবস্থায় রয়েছে। এদিকে দ্রুতগতিতে চলছে নদীশাসনের কাজও। ব্লক, বালুর বস্তা ফেলা, ড্রেজিংসহ সব কাজই চলছে দ্রুতগতিতে।

সেতুর স্প্যানের ওপর রেলওয়ে ও রোডওয়ে স্ল্যাব হচ্ছে। জাজিরা প্রান্তে ২৫৬টি রেলওয়ে স্ল্যাব ও চারটি রোডওয়ে স্ল্যাব বসানো হয়েছে। কুমারভোগের বিশেষায়িত ওয়ার্কশপে এ পর্যন্ত ১৭৫০টি রেলওয়ে স্ল্যাব ও ৬০০ রোডওয়ে স্ল্যাব তৈরি করা হয়েছে। সেতুর চ্যানেলে আড়াআড়ি (ক্রস) যাওয়া চ্যানেলটি সরিয়ে দিতে খননকাজও (ড্রেজিং) চলছে।

শিগগিরই চ্যানেলটি সরিয়ে নেওয়া হবে বলে সেতু কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে। চ্যানেলটি সরিয়ে নেওয়ার সঙ্গে সঙ্গেই ক্রস চ্যানেলসংলগ্ন খুঁটির কাজ শুরু হবে।

বিজনেস আওয়ার/১০ এপ্রিল, ২০১৯/এস

পাঠকের মতামত: