ঢাকা, সোমবার, ২৬ আগস্ট ২০১৯, ১১ ভাদ্র ১৪২৬
sristymultimedia.com

প্রচ্ছদ » শেয়ারবাজার » বিস্তারিত


ss-steel-businesshour24

Runner-businesshour24

ইউনাইটেড ফাইন্যান্সের লভ্যাংশে নারাজ শেয়ারহোল্ডাররা

আপডেট : 2019-04-24 14:06:18
ইউনাইটেড ফাইন্যান্সের লভ্যাংশে নারাজ শেয়ারহোল্ডাররা

বিজনেস আওয়ার প্রতিবেদক : শেয়ারবাজারে তালিকাভুক্ত আর্থিক খাতের কোম্পানিগুলোর মধ্যে একটি অন্যতম মাল্টিন্যাশনাল কোম্পানি হওয়া সত্ত্বেও ইউনাইটেড ফাইন্যান্স শেষ অর্থবছরে যে লভ্যাংশ দিয়েছে, তাতে নারাজ হয়েছেন শেয়ারহোল্ডাররা।

বুধবার (২৪ এপ্রিল) রাজধানীর ইস্কাটনে লেডিস ক্লাবে কোম্পানিটির ৩০তম বার্ষিক সাধারন সভায় (এজিএম) এমন অভিযোগ করেন কোম্পানির শেয়ারহোল্ডাররা।

শেয়ারহোল্ডাররা বলেন, এর আগের অর্থবছর কোম্পানি ১৫ শতাংশ লভ্যাংশ ঘোষণা করেছিল। এবার ঘোষণা করা হয়েছে ১০ শতাংশ, যা আগের তুলনায় ৫ শতাংশ কম। এভাবে চলতে থাকলে সামনে তো নো ডিভিডেন্ট হওয়ার সম্ভাবনা থাকছে। একটি ভাল কোম্পানির কাছ থেকে শেয়ারহোল্ডাররা এর থেকেও ভাল লভ্যাংশ প্রত্যাশা করে।

সভায় শেয়ারহোল্ডাররা ২ ধরনের প্রত্যাশার কথা জানান। তারা বলেন, আমাদের প্রথম প্রত্যাশা কোম্পানির ক্যাপিটাল গেইন। আর দ্বিতীয় প্রত্যাশা লভ্যাংশ। সেই ক্ষেত্রে যদি একটা পূরণ হয় অর্থাৎ কোম্পানির গেইন হয় অথচ লভ্যাংশ না পাই, সেটা হতাশাজনক।

এছাড়া লিগ্যাল ছাড়াও অন্যান্য ব্যয় বৃদ্ধি পাওয়ার সভায় উপস্থিত শেয়ারহোল্ডাররা উদ্বেগ প্রকাশ করেছে।

কোম্পানির ব্যবস্থাপনা পরিচালক সৈয়দ এহসান কাদেরকে ব্যবসায়িক চিন্তা ভাবনায় আরও পারদর্শীকতার পরিচয় দিতে অনুরোধ জানান শেয়ারহোল্ডাররা। তারা বলেন, পরিচালক হিসেবে আপনি যথেষ্ট সচ্ছ। কোম্পানি কিভাবে আরও লাভবান হতে পারবে সে ব্যপারে একটু নজর বাড়ান।

সভায় উপস্থিত সৈয়দ এহসান কাদের বলেন, ইউনাইটেড ফাইন্যান্স গ্রোয়িং কোম্পানি। ধীরে ধীরে এটি শক্তিশালী অবস্থানে যাচ্ছে। পর্যায়ক্রমে কোম্পানিটির পরিশোধিত মূলধন বাড়ানো হচ্ছে। এতে শেয়ারহোল্ডারদের উপর চাপ পড়ছে না। যদি হঠাৎ কেন্দ্রীয় ব্যাংক থেকে বলা হয় পরিশোধিত মূলধন বাড়ানোর জন্য তাহলে তাতে সমস্যায় পড়বে না কোম্পানিটি।

লভ্যাংশ আগের বছরের চেয়ে গত বছর কম দেয়ার বিষয়ে তিনি বলেন, আমাদের কোম্পানিতে বেশির ভাগই দীর্ঘ মেয়াদে বিনিয়োগ করছে বিনিয়োগকারীরা। আর লভ্যাংশ এক বছর সমান্য কম হলেও দীর্ঘ মেয়াদের বিনিয়োগকারীদের জন্য তা ভালো মুনাফা বয়ে আনছে।

তিনি আরও বলেন, কোম্পানির বিভিন্ন খাতে ব্যয় বাড়ছে। কিন্তু এটা ভালর জন্যই হচ্ছে। সামনে এর ফল পাওয়া যাবে। এরই মধ্যে রাইট অফ হওয়া ঋণ আদায় করা হয়েছে। গত সমাপ্ত বছরে যার পরিমান কোটি টাকা বেশি।

কোম্পানির চেয়ারম্যান ইমরান আহমেদ জানান, আগামী ১০ মে'র মধ্যে বাংলাদেশ ইলেকট্রনিক ফান্ড ট্রান্সফার নেটওয়ার্কের (বিইএফটিএন) মাধ্যমে লভ্যাংশের টাকা শেয়ারহোল্ডারদের মাঝে পৌঁছে দেওয়া হবে।

এজিএমে উপস্থিত শেয়ারহোল্ডারদের সম্মতিক্রমে কোম্পানির ঘোষিত ১০ শতাংশ নগদ লভ্যাংশ অনুমোদিত হয়েছে। কোম্পানির বিভিন্ন পরিচালকবৃন্দ, সচিব এবং প্রতিষ্ঠানের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাসহ শেয়ারহোল্ডাররা এজিএমে উপস্থিত ছিলেন।

বিজনেস আওয়ার/২৪ এপ্রিল, ২০১৯/আরআই/পিএস

পাঠকের মতামত: