ঢাকা, শুক্রবার, ১৯ জুলাই ২০১৯, ৪ শ্রাবণ ১৪২৬
sristymultimedia.com

প্রচ্ছদ » রাজনীতি » বিস্তারিত


ss-steel-businesshour24

Runner-businesshour24

বিএনপি পুরোপুরি তারেক-নির্ভর

আপডেট : 2019-05-02 10:20:57
বিএনপি পুরোপুরি তারেক-নির্ভর

বিজনেস আওয়ার প্রতিবেদক : একাদশ জাতীয় নির্বাচনের ফল প্রত্যাখ্যান সত্ত্বেও সংসদে যোগ দেওয়ার পর এলোমেলো অবস্থায় পড়েছে বিএনপি। দলের মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর শপথ না নেওয়ায় জ্যেষ্ঠ নেতারা পড়েছেন দোলাচলে।

তারা বলছেন, দলের নির্বাচিত পাঁচজনের শপথগ্রহণ প্রক্রিয়া এবং মির্জা ফখরুলের শপথ না নেওয়ার বিষয়টি কেবল ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান জানেন। ফলে পরবর্তী বৈঠক না হওয়া পর্যন্ত এ ব্যাপারে তারা পুরোপুরি অন্ধকারেই থাকবেন বলে মনে করা হচ্ছে।

এর মধ্যে খালেদা জিয়ার মুক্তির বিষয়ে আলোচনা শুরু হওয়ায় পুরো পরিস্থিতি নিয়ে তৈরি হয়েছে আরও ধোঁয়াশা। তবে দলটির নেতারা তাদের নেত্রীর মুক্তির অপেক্ষায় আছেন।

জানা গেছে, দলের নিয়ন্ত্রণ ও সিদ্ধান্ত গ্রহণ প্রক্রিয়া পুরোপুরি তারেক রহমানের হাতে। এ কারণে কারাবন্দি দলের চেয়ারপারসন খালেদা জিয়ার মুক্তির আগে বিএনপির ভবিষ্যৎ রাজনৈতিক কৌশল নির্ধারণ প্রক্রিয়া নিয়ে কিছু বলতে পারছেন না তারা।

স্থায়ী কমিটির অন্যতম সদস্য ব্যারিস্টার জমিরউদ্দিন সরকার বলেন, মির্জা ফখরুল শপথ গ্রহণ করেননি। তিনি করেননি কেন, সেটা তিনি জানবেন। আর আমাদের এখনও কোনও বৈঠক হয়নি, ফলে দলের নীতিনির্ধারণ বিষয়ে কিছু বলতে পারবো না।

সূত্র জানায়, আগামীতে বিএনপির যে কোনও সিদ্ধান্ত গ্রহণের ক্ষেত্রে দলের স্থায়ী কমিটির সামনে দুই ধরনের পরিস্থিতি আসতে পারে। দলের চেয়ারপারসন খালেদা জিয়া যদি স্থায়ী কমিটির নেতাদের কাছে কোনও বিষয়ে মতামত চান, তাহলে সবাই ভালো-মন্দ যা-ই হোক খোলাখুলি মত দেওয়া হবে।

আর ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান কোনও বিষয়ে মত চাইলে সেক্ষেত্রে ‘হালকা মতামত’ দিয়ে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেওয়ার ভার তার ওপরই ছেড়ে দেওয়া হবে।

বিএনপির স্থায়ী কমিটির এক সদস্য বলেন, মির্জা ফখরুলের শপথ না নেওয়াটা প্রমাণ করে সমঝোতায় সমস্যা হয়েছে। একই সঙ্গে স্পিকার দ্রুতগতিতে শূন্য ঘোষণা করার মধ্য দিয়ে সরকারের হার্ডলাইনের বিষয়টিও প্রমাণিত হয়। সেক্ষেত্রে পুরো বিষয়টি পরিষ্কার হতে আরও সময় লাগতে পারে।

নির্বাচন কমিশন সচিবালয়ের সচিব হেলালুদ্দীন বলেন, আমরা আজ-কালের মধ্যেই সংশ্লিষ্ট আসনটিকে শূন্য ঘোষণা করে গেজেট প্রকাশ করবো। এই গেজেট প্রকাশের ৯০ দিনের মধ্যে উপনির্বাচন হবে।

এক প্রশ্নের জবাবে ইসি সচিব জানান, ৩০ ডিসেম্বর অনুষ্ঠিত নির্বাচনে অংশ নেওয়া প্রত্যেক প্রার্থীই নতুন প্রার্থীদের সঙ্গে উপনির্বাচনে অংশ নিতে পারবেন।

বিজনেস আওয়ার/০২ মে, ২০১৯/এ

পাঠকের মতামত: