ঢাকা, বৃহস্পতিবার, ২৩ মে ২০১৯, ৮ জ্যৈষ্ঠ ১৪২৬
sristymultimedia.com

প্রচ্ছদ » অর্থনীতি » বিস্তারিত


ss-steel-businesshour24

Runner-businesshour24

৪ পণ্যের দাম আগের মতোই বাড়তি

আপডেট : 2019-05-04 13:18:03
৪ পণ্যের দাম আগের মতোই বাড়তি

বিজনেস আওয়ার প্রতিবেদক : বাজারে পর্যাপ্ত সরবরাহের পরও ছোলা, চিনি, মসুরের ডাল ও পেঁয়াজ গত সপ্তাহের মতো শুক্রবারও বাড়তি দামেই বিক্রি হয়েছে। সব ধরনের মাছ, গরুর মাংস ও সবজি বিক্রি হয়েছে উচ্চমূল্যে।

তবে সপ্তাহের ব্যবধানে কমতে শুরু করেছে মুরগির দাম। আর চাল, ভোজ্যতেলসহ একাধিক পণ্যের দাম স্থিতিশীল। রাজধানীর কারওয়ানবাজার, নয়াবাজার ও রামপুরা কাঁচাবাজারসহ একাধিক বাজার সুত্রে এ তথ্য পাওয়া গেছে।

রাজধানীর নয়াবাজারের এক বিক্রেতা বলেন, নতুন করে রমজাননির্ভর চার পণ্যের দাম বাড়েনি। বরং গত সপ্তাহের বাড়তি দামেই সপ্তাহের প্রথম দিন বিক্রি হয়েছে। খুচরা চিনি মান ভেদে বিক্রি হয়েছে ৫৫-৬০ টাকা কেজি।

এ দিন ছোলা মানভেদে ৮০-৮৫ টাকা কেজি, মসুরের ডাল ৯৫-১০০ টাকা কেজি। যা গত সপ্তাহেও এ দামেই বিক্রি হয়েছে। তাছাড়া দেশি পেঁয়াজ বিক্রি হয় ২৮-৩৫ টাকা কেজি। যা এক সপ্তাহ আগে একই দামেই বিক্রি হয়।

গত সপ্তাহের মতো আমদানি করা পেঁয়াজ বিক্রি হয়েছে ২৫-২৮ টাকা কেজি। এদিকে রমজানে বেশি চাহিদার পণ্য- বেগুন, শসা, পুদিনাপাতা, ধনেপাতার দামও গত সপ্তাহের মতোই বাড়তি।

কারওয়ান বাজারের এক বিক্রেতা বলেন, রমজান এলেই এসব পণ্যের চাহিদা বাড়ে। কারণ এগুলো দিয়ে ইফতার আইটেম তৈরি করা হয়। যার কারণে বাজারে এই সময়টাতে চাহিদাও বেড়ে যায়।

আর এই চাহিদাকে মাথায় রেখে পাইকাররা গত সপ্তাহে বেগুন, শসা, পুদিনাপাতা, ধনেপাতার দাম বাড়িয়ে দিয়েছে। যা এ সপ্তাহেও একই বিদ্যমান।

তিনি বলেন, শুক্রবার বেগুন বিক্রি করছি মান ও আকার ভেদে ৬০-৭০ টাকা কেজি। শসা বিক্রি করছি ৫৫-৬০ টাকা কেজি। যা গত দুই সপ্তাহ আগে বিক্রি করেছি ৪০-৫৫ টাকা। পুদিনাপাতার আঁটি বিক্রি করছি ২০ টাকা। ধনেপাতাও এরকম দামেই বিক্রি করেছি।

ক্রেতা-বিক্রেতারা জানান, শুক্রবার পটল বিক্রি হয়েছে ৪০-৫০ টাকা কেজি, বরবটি ৬০-৭০ টাকা কেজি, কচুর লতির কেজি ৭০-৮০ টাকা, করলা ৬০-৭০ টাকা, ধুন্দুল ৭০-৮০ টাকা কেজি, গাজর ৩০-৪০ টাকা, ঢেঁড়স ৪০-৫০ টাকা কেজি দরে বিক্রি হয়েছে।

মাছ বিক্রেতারা জানান, প্রতি কেজি তেলাপিয়া বিক্রি হয়েছে ১৪০-১৬০ টাকা, পাঙ্গাশ ১৬০-১৮০ টাকা, রুই আকারভেদে ৩৫০-৬০০ টাকা, পাবদা ৬০০-৭০০ টাকা, টেংরা ৭০০-৭৫০ টাকা, শিং ৪০০-৫৫০ টাকা, বোয়াল ৫০০-৮০০ টাকা ও চিতল মাছ ৫০০-৮০০ টাকা কেজি দরে বিক্রি হয়।

এদিকে সপ্তাহের ব্যবধানে সব ধরনের মুরগির দাম কমতে শুরু করেছে। কারওয়ানবাজারে চিকেন মার্কেটের মুরগি ব্যবসায়ীরা জানান, বয়লার মুরগি বিক্রি হয়েছে ১৫০-১৫৫ টাকা কেজি। যা গত সপ্তাহে ছিল ১৬০-১৬৫ টাকা।

গত সপ্তাহে ২১০-২২০ টাকা কেজি বিক্রি হওয়া লাল লেয়ার মুরগি বিক্রি হয়েছে ১৮০-১৯০ টাকা। আর পাকিস্তানি কক বিক্রি হয়েছে ২৪০-২৫০ টাকা কেজি। যা গত সপ্তাহে ২৭০-২৮০ টাকা ছিল।

তবে গরুর মাংস ও খাসির মাংস গত সপ্তাহের মতো বাড়তি দামে বিক্রি করতে দেখা গেছে। গরুর মাংস শুক্রবার বিক্রি হয়েছে ৫৩০-৫৬০ টাকা কেজি। খাসির মাংস বিক্রি হয়েছে ৭৫০-৮৫০ টাকা কেজি।

বিজনেস আওয়ার/০৪ মে, ২০১৯/এ

পাঠকের মতামত: