ঢাকা, শুক্রবার, ১৯ জুলাই ২০১৯, ৪ শ্রাবণ ১৪২৬
sristymultimedia.com

প্রচ্ছদ » জাতীয় » বিস্তারিত


ss-steel-businesshour24

Runner-businesshour24

ঢাকায় পৌঁছেছে অতিরিক্ত আইজি রৌশন আরার মরদেহ

আপডেট : 2019-05-09 08:28:16
ঢাকায় পৌঁছেছে অতিরিক্ত আইজি রৌশন আরার মরদেহ


বিজনেস আওয়ার প্রতিবেদক : ঢাকায় এসে পৌঁছেছে পুলিশের অতিরিক্ত আইজি রৌশন আরা বেগমের মরদেহ। বৃহস্পতিবার (৯ মে) সকাল ৬টা ৪১ মিনিটে টার্কিশ এয়ারলাইন্সের একটি ফ্লাইটে হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে পৌঁছায়।

পুলিশ স্টাফ কলেজের রেক্টরের দায়িত্বে থাকা রৌশন জাতিসংঘ শান্তি মিশনে বাংলাদেশ ফ্রন্ট পুলিশ ইউনিটের মেডাল প্যারেডে যোগ দিতে ডেমোক্রেটিক রিপাবলিক অব কঙ্গোতে গিয়েছিলেন।

বাংলাদেশ ফ্রন্ট পুলিশ ইউনিটের কমান্ডার (এসপি) ফারজানার গাড়িতে করে রোববার সন্ধ্যায় এক অনুষ্ঠানে যাওয়ার সময় তিনি দুর্ঘটনায় পড়েন। একটি লরির সঙ্গে ধাক্কা লেগে গাড়িটি দুমড়ে মুচড়ে গেলে ঘটনাস্থলেই মারা যান ৫৭ বছর বয়সী রৌশন আরা।

নিহত রৌশন আরার স্বামী শফিকুল আলম চৌধুরী জানান, নিহতের প্রথম জানাজা নয়াটোলা জামে মসজিদে সকাল ১০টায় অনুষ্ঠিত হবে। দ্বিতীয় জানাজা সকাল ১০টা থেকে ১১টার মধ্যে মগবাজার মরহুমার পৈতৃক বাড়ির মসজিদে অনুষ্ঠিত হবে।

সেখান থেকে মরদেহ নিয়ে যাওয়া হবে রাজারবাগ পুলিশ লাইনে। সেখানে বাদ জোহর তৃতীয় জানাজা শেষে তাকে আজিমপুর কবরস্থানে দাফন করা হবে। কর্মজীবনে কারো সঙ্গে খারাপ আচরণে কেউ কষ্ট পেয়ে থাকলে মরহুমার পক্ষ থেকে ক্ষমা চেয়ে দোয়া চান তিনি।

১৯৬২ সালের ১ জানুয়ারি জন্ম নেওয়া রৌশন আরা বেগম মগবাজারের টিঅ্যান্ডটি উচ্চ বিদ্যালয় থেকে এসএসসি এবং ভিকারুননিসা নূন স্কুল অ্যান্ড কলেজ থেকে এইচএসসি পাস করেন। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের সমাজবিজ্ঞান বিভাগ থেকে মাস্টার্স করে ১৯৮৮ সালে তিনি যোগ দেন বিসিএস পুলিশ ক্যাডারে।

রৌশন আরাই দেশের পুলিশ বিভাগের প্রথম নারী অফিসার, যিনি পুলিশ সুপারের দায়িত্বে জেলা পুলিশের নেতৃত্ব দিয়েছেন। অতিরিক্ত আইজিপির পদে বাংলাদেশের দ্বিতীয় নারী অফিসার তিনি।

পুলিশ বাহিনীতে অবদানের স্বীকৃতি স্বরূপ দুইবার আইজিপি ব্যাচপ্রাপ্ত হন এবং বাংলাদেশ সরকারের দ্বিতীয় সর্বোচ্চ পুলিশ পদক ‘পিপিএম’ লাভ করেন। পুলিশ সুপার থাকাকালীন ‘অনন্যা শীর্ষ দশ-১৯৯৮’ পুরস্কার ও ২০১২ সালে ইন্টারন্যাশনাল অ্যাসোসিয়েশন অব উইমেন পুলিশের স্কলারশিপ অ্যাওয়ার্ড-২০১২ লাভ করেন।

তার স্বামী মো. শফিকুল আলম চৌধুরী একজন ব্যবসায়ী। তাদের একমাত্র মেয়ে আর মুনাহা চৌধুরী ব্র্যাক বিশ্ববিদ্যালয়ে ইলেক্ট্রিক্যাল অ্যান্ড ইলেকট্রনিক্স ইঞ্জিনিয়ারিং বিভাগে পড়ছেন।

বিজনেস আওয়ার/০৯ মে, ২০১৯/এ

পাঠকের মতামত: