ঢাকা, রবিবার, ১৮ আগস্ট ২০১৯, ৩ ভাদ্র ১৪২৬
sristymultimedia.com

প্রচ্ছদ » অর্থনীতি » বিস্তারিত


ss-steel-businesshour24

Runner-businesshour24

নিত্যপণ্যের দাম বেড়েই চলেছে

আপডেট : 2019-05-09 10:10:17
নিত্যপণ্যের দাম বেড়েই চলেছে

বিজনেস আওয়ার প্রতিবেদক : চাহিদার তুলনায় নিত্যপণ্য অনেক বেশি মজুত রয়েছে। তাই রোজায় দাম বাড়বে না। বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ের এমন আশ্বাসের পরও স্বস্তি মেলেনি জনমনে। সবকিছু ছাপিয়ে সাধারণ মানুষের জন্য উদ্বেগ হয়ে দেখা দিয়েছে রোজায় নিত্যপণ্যের মূল্যবৃদ্ধি।

রাজধানীর কারওয়ানবাজারে রোজা শুরু হওয়ার আগে থেকে বেড়ে গেছে বেশিরভাগ পণ্যের বাজারদর। আর রোজা শুরুর পর গত দু’দিনেও কয়েকটি পণ্যের দাম বেড়েছে নতুন করে।

রোজায় বাজারদর স্থিতিশীল রাখার জন্য পাইকারি ও খুচরা বাজারগুলোতে জাতীয় ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ অধিদফতরের বিশেষ তদারকি দলসহ জেলা প্রশাসন ও আইন-শৃঙ্খলা বাহিনীর সদস্যরা কাজ করলেও ভোক্তারা এর সুফল পাচ্ছেন না।

প্রায় সব সবজির দামই এখন আকাশছোঁয়া। কিছু সবজির কেজি ছুঁয়েছে ১০০ টাকা, বাকিগুলোর বেশিরভাগই কেজিপ্রতি ৭০-৮০ টাকা। প্রতিকেজি ব্রয়লার মুরগি এখন বিক্রি হচ্ছে ১৬৫-১৭৫ টাকায়, যা কয়েকদিন আগেও ছিল ১৫৫ টাকা। বেড়েছে দেশি ও অন্যান্য মুরগির দামও।

গরুর মাংসের দাম ৫০ থেকে ৭০ টাকা বেড়ে এখন কেজিপ্রতি ৫৫০ থেকে ৬০০ টাকা দামে বিক্রি হচ্ছে। খাসির মাংস বিক্রি হচ্ছে প্রতিকেজি ৭৫০-৮০০ টাকায়। চড়া দামে বিক্রি হচ্ছে সব ধরনের মাছ। খোলা ও বোতলজাত সয়াবিন তেলের দামও বেড়েছে।

বেড়েছে পেঁয়াজ, রসুন, আদা, বিভিন্ন ধরনের ডাল ও মসলার দামও। রাজধানীর খুচরা বাজারগুলোতে এখন দেশি পেঁয়াজ ৩০ থেকে ৪৫ টাকা, আমদানিকৃত পেঁয়াজ ২২ থেকে ৩৫ টাকা। কিন্তু রোজা শুরু হওয়ার সপ্তাহখানকে আগেও দেশি পেঁয়াজ ২০ থেকে ২৫ টাকা, আমদানি করা পেঁয়াজ ২০ থেকে ২২ টাকা।

দেশি রসুন ৫০ থেকে ৮০ টাকা, আমদানি করা রসুন ১০০ থেকে ১১৫ টাকা। রোজার আগে দেশি রসুন ৪০ থেকে ৬০ টাকা, আমদানি করা রসুন ৮০ থেকে ১০০ টাকায় বিক্রি হয়েছে।

ছোলা ৭৫ থেকে ৯০ টাকা, ১ লিটারের বোতলজাত সয়াবিন ১০০ থেকে ১১২ টাকা, প্যাকেট আটা ৩৪ থেকে ৪০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে। রোজার আগে ছোলা ৭৫ থেকে ৮০ টাকা, ১ লিটারের বোতলজাত সয়াবিন ৯৫ থেকে ১০৩ টাকা, প্যাকেট আটা ৩২ থেকে ৩৪ টাকায় বিক্রি হয়।



টিসিবির হিসেবে গত দেড় মাসের ব্যবধানে দেশি পেঁয়াজ ২২ শতাংশ, রসুন ২০ শতাংশ, ছোলা ৩ দশমিক ১৩ শতাংশ, প্যাকেট আটা ২ দশমিক ৯৪ শতাংশ, ১ লিটারের বোতলজাত সয়াবিন ২ দশমিক ৪৯ শতাংশ দাম বেড়েছে। এছাড়া গরুর মাংসের দাম বেড়েছে কেজিতে ২০ থেকে ৫০ টাকা পর্যন্ত।

সকালে মুদি দোকান থেকে বিভিন্ন পণ্য ক্রয়কারী জানান, রোজায় খাদ্য ও ভোগ্য নিত্যপণ্যের অতিরিক্ত চাহিদা মেটাতে সাধারণ নাগরিকদের বেশিরভাগেরই হাঁসফাঁস পরিস্থিতির মধ্যে পড়তে হবে এ বিষয়ে সন্দেহের কোনো অবকাশ নেই।

ব্যবসায়ীরা এখন রমজানের আগেই বিভিন্ন পণ্যের দাম বাড়িয়ে দেন। এ কারণে রমজানের প্রায় সপ্তাহ বাকি থাকতেই বিভিন্ন পণ্যের দাম বেড়েছে। যাতে রমজানের সময় এটা নিয়ে ভোক্তারা নতুন করে বলতে না পারেন।

আর বিক্রেতাদের দাবি, খাদ্যপণ্য ও নিত্যপণ্যের এই মূল্যবৃদ্ধি শুধু রাজধানী ঢাকা বা বিভাগীয় শহরগুলোতে সীমাবদ্ধ নয়, জেলা শহরগুলোতেও প্রায় একই অবস্থা। স্থানীয় পর্যায়ে মূল্যবৃদ্ধির কারণেই ক্রেতাদের গুণতে হচ্ছে অতিরিক্ত পয়সা।

বিজনেস আওয়ার/০৮ মে, ২০১৯/এ

এ বিভাগের অন্যান্য সংবাদ

পাঠকের মতামত: