ঢাকা, মঙ্গলবার, ১৭ সেপ্টেম্বর ২০১৯, ২ আশ্বিন ১৪২৬
sristymultimedia.com

প্রচ্ছদ » শেয়ারবাজার » বিস্তারিত


ss-steel-businesshour24

Runner-businesshour24

রাইট ইস্যুর পরেই পরিচালকদের শেয়ার ধারন ৩০ শতাংশের নিচে

আপডেট : 2019-08-20 10:54:50
রাইট ইস্যুর পরেই পরিচালকদের শেয়ার ধারন ৩০ শতাংশের নিচে

বিজনেস আওয়ার প্রতিবেদক : বিডি থাই অ্যালুমিনিয়ামের রাইট শেয়ারের মাধ্যমে অর্থ সংগ্রহের পরেই কোম্পানিটির উদ্যোক্তা/পরিচালকদের শেয়ার ধারন কমে এসেছে। যা বাংলাদেশ সিকিউরিটিজ অ্যান্ড এক্সচেঞ্জ কমিশনের (বিএসইসি) নির্দেশনার ন্যূনতম শেয়ার ধারনেরও নিচে নিয়ে গেছে।

বিএসইসি ২০১১ সালের এক নির্দেশনায় তালিকাভুক্ত প্রত্যেক কোম্পানির উদ্যোক্তা/পরিচালকদেরকে সম্মিলিতভাবে ৩০ শতাংশ শেয়ার ধারন করতে বলা হয়েছে। অন্যথায় রাইট শেয়ারের মাধ্যমে মূলধন বাড়ানো যাবে না।

বিএসইসির এমন নির্দেশনার কারনে বিডি থাই অ্যালুমিনিয়াম কর্তৃপক্ষ রাইট শেয়ার ইস্যুর আগে ৩০ শতাংশের বেশি শেয়ার ধারন করে। ২০১৬ সালে রাইট ইস্যুর জন্য তাদের কাছে শেয়ার ধারন ছিল ৩০.৯৮ শতাংশ। যা বর্তমানে ২৮.৩৮ শতাংশে রয়েছে।

কোম্পানিটির পক্ষে রাইট শেয়ার ইস্যুর মাধ্যমে শেয়ারবাজার থেকে ২০১৬ সালে ৫২ কোটি ৩৪ লাখ টাকা সংগ্রহ করা হয়। এই টাকা সংগ্রহে চাঁদা নেওয়া হয় ২০১৬ সালের ১ সেপ্টেম্বর থেকে ২৯ সেপ্টেম্বর পর্যন্ত।

রাইটে অর্থ সংগ্রহের কয়েক মাসের ব্যবধানেই উদ্যোক্তা/পরিচালকদের শেয়ার ধারন ৩০ শতাংশের নিচে নেমে আসে। কোম্পানির ওয়েবসাইটে রাইট ইস্যুর পরে সর্বপ্রথম শেয়ার ধারন নিয়ে প্রকাশিত তথ্য অনুযায়ি, ২০১৭ সালের ৩১ জানুয়ারি উদ্যোক্তা/পরিচালকদের মালিকানা ছিল ২৭.০৯ শতাংশ। যা পরবর্তী মাসে অর্থাৎ ফেব্রুয়ারিতে নেমে যায় ২৬.৩৮ শতাংশে।

এদিকে রাইটে সংগৃহিত অর্থ ব্যবহারে দফায় দফায় সময় বৃদ্ধি সত্ত্বেও তা সম্পূর্ণভাবে ব্যবহার করা সম্ভব হয়নি। রাইট শেয়ার ইস্যুর মাধ্যমে শেয়ারবাজার থেকে ২০১৬ সালে সংগৃহিত ৫২ কোটি ৩৪ লাখ টাকা ব্যবহারের জন্য ১৫ মাস বা ২০১৭ সালের ৩১ ডিসেম্বর পর্যন্ত সময়সীমা ছিল। কিন্তু কোম্পানি কর্তৃপক্ষ ওই সময়ের মধ্যে অর্থ ব্যবহারে ব্যর্থ হয়। যাতে বিএসইসি ও শেয়ারহোল্ডারদের অনুমোদন সাপেক্ষ ১ বছর অর্থাৎ ২০১৮ সালের ৩১ ডিসেম্বর পর্যন্ত সময় বাড়ানো হয়। তবে ওই সময়ের মধ্যেও সেই অর্থ ব্যবহার করা সম্ভব হয়নি। যাতে আবারও ৬ মাসের সময় বাড়ানো হয়। এ হিসাবে গত ৩০ জুনের মধ্যে রাইটের অর্থ ব্যবহার করার সময় সীমা বেধে দেওয়া হয়। চলতি বছরের ৩১ মার্চ পর্যন্ত ৪ কোটি ৬৮ লাখ টাকা বা ৮.৯৫ শতাংশ অব্যবহৃত ছিল। তবে এরপরে রাইটের অর্থ ব্যবহার নিয়ে কোম্পানি কর্তৃপক্ষ তথ্য প্রকাশ করেনি।

বিডি থাই অ্যালুমিনিয়ামের জমি উন্নয়ন, ভবনের কাজ, মেশিনারীজ আমদানি ও দেশে ক্রয়, পণ্যে বৈচিত্রতা আনার জন্য বিনিয়োগ, চলতি মূলধন, ঋণ পরিশোধ, সিকিউরিটি অর্থ হিসেবে ডিপোজিটের জন্য রাইটের মাধ্যমে অর্থ সংগ্রহ করা হয়।

উল্লেখ্য বিডি থাই অ্যালুমিনিয়াম ১টি সাধারন শেয়ারের বিপরীতে ১টি রাইট শেয়ার ইস্যু করে। এক্ষেত্রে প্রতিটি শেয়ার শুধুমাত্র অভিহিত মূল্যে ইস্যু করা হয়। আর এই শেয়ার ইস্যুর লক্ষ্যে ২০১৬ সালের ১ সেপ্টেম্বর থেকে ২৯ সেপ্টেম্বর পর্যন্ত টাকা জমা দেওয়ার সুযোগ ছিল।

বিজনেস আওয়ার/২০ আগস্ট, ২০১৯/আরএ

পাঠকের মতামত: