ঢাকা, শুক্রবার, ২০ সেপ্টেম্বর ২০১৯, ৫ আশ্বিন ১৪২৬
sristymultimedia.com

প্রচ্ছদ » আন্তর্জাতিক » বিস্তারিত


ss-steel-businesshour24

Runner-businesshour24

অ্যামাজন রক্ষায় ২ কোটি ডলারের তহবিল গঠনে একমত জি সেভেন

আপডেট : 2019-08-27 15:51:37
অ্যামাজন রক্ষায় ২ কোটি ডলারের তহবিল গঠনে একমত জি সেভেন

আন্তর্জাতিক ডেস্কঃ সপ্তাহের পর সপ্তাহ পার হচ্ছে। পুড়েই চলেছে পৃথিবীর বড় রেইনফরেস্ট অ্যামাজন। আগুন নিয়ন্ত্রণের আপ্রাণ চেষ্টা চালাচ্ছেন দমকলকর্মীরা। আগুন একদিকে কমে আসে তো অপর দিকে তা বেড়ে যায়। সবুজ, সরব এই বনাঞ্চল এখন পরিণত হয়েছে ধূসর, নিস্তব্ধ মৃত্যুপুরীতে।

এ অবস্থায় পৃথিবীর ফুসফুসকে বাঁচানোর আকুতি সেখানকার বাসিন্দাদের। অ্যামাজনের দাবানল প্রতিরোধে ব্রাজিলের প্রেসিডেন্টকে চাপ দিতে বিশ্বনেতাদের কাছে আহ্বান জানিয়েছেন দেশটির আদিবাসীদের প্রধান।

ব্রাজিলের আদিবাসীদের প্রধান রাওনি মেতুকতিরে বলেন, অ্যামাজনে প্রায় আগুন লাগার ঘটনা ঘটে। তবে বলসোনারো ক্ষমতা নেয়ার আগে এই রকমের দাবানল আগে কেউ কখনো দেখেনি। বিভিন্ন খনিজ ও কাঠ ব্যবসায়ী প্রতিষ্ঠান এই দাবানলের সঙ্গে জড়িত, যাতে মদদ দিচ্ছেন ব্রাজিলের প্রেসিডেন্ট।

উদ্বিগ্ন বিশ্ব সম্প্রদায়ও। পৃথিবীর সবুজ বাঁচাতে ২ কোটি মার্কিন ডলারের তহবিল গঠনের ঘোষণা দিয়েছে বিশ্বের অন্যতম বৃহৎ অর্থনৈতিক জোট জি সেভেন। সোমবার ফ্রান্সে জোটের সম্মেলনে ফরাসি প্রেসিডেন্ট জানান, অ্যামাজনের দাবানল নিয়ন্ত্রণ এবং বনাঞ্চলটিকে রক্ষায় দীর্ঘ মেয়াদী পরিকল্পনা বাস্তবায়নে কাজ করবেন তারা।

ফরাসি প্রেসিডেন্ট ইমানুয়েল ম্যাক্রোঁ বলেন, অ্যামাজনের দেশগুলোকে সাহায্যে আমরা দুই কোটি মার্কিন ডলারের পাশাপাশি সব ধরনের সহায়তা দেব। কিছু দিনের মধ্যে অঞ্চলটিতে ফ্রান্সের সামরিক বাহিনীও সহযোগিতা করবে।

আগুন নিয়ন্ত্রণে ফায়ার বম্বার্স পাঠাবে কানাডা। একইসঙ্গে অ্যামাজন পুনর্গঠনের সহায়তার কথা জানান কানাডার প্রধানমন্ত্রী জাস্টিন ট্রুডো এবং ব্রিটিশ প্রধানমন্ত্রী বরিস জনসন।

তবে অ্যামাজনে জি সেভেনের সহায়তার উদ্দেশ্য নিয়ে প্রশ্ন তুলেছেন ব্রাজিলের প্রেসিডেন্ট জেইর বলসোনারো।

ব্রাজিলের প্রেসিডেন্ট জেইর বলসোনারো বলেন, কোন লাভ বা বিনিময় ছাড়া কেউ কাউকে কখনো সাহায্য করে কি? তাদের দৃষ্টি অ্যামাজনের দিকে কেন? তারা আসলে কি চায়?

এদিকে, অ্যামাজনে সৃষ্ট দাবানলে উদ্বেগ জানিয়ে বিভিন্ন দেশে প্রতিবাদ বিক্ষোভ অব্যাহত রেখেছেন পরিবেশ ও অধিকারকর্মীরা।

পৃথিবীর মোট অক্সিজেন চাহিদার ২০ শতাংশই জোগান দেয় অ্যামাজন। পৃথিবীর ফুসফুস পুড়ে যাওয়ায় বৈশ্বিক জলবায়ুতে ব্যাপক নেতিবাচক প্রভাব পড়ার আশঙ্কা করছেন পরিবেশ বিজ্ঞানীরা। এছাড়া অ্যামাজনের এই দাবানলকে ভবিষ্যৎ পৃথিবীর জন্য অশনি সঙ্কেত হিসেবেও দেখছেন তারা।

বিজনেস আওয়ার/২৭ আগস্ট,২০১৯/ আরআই

পাঠকের মতামত: