ঢাকা, শনিবার, ২১ সেপ্টেম্বর ২০১৯, ৫ আশ্বিন ১৪২৬
sristymultimedia.com

প্রচ্ছদ » শেয়ারবাজার » বিস্তারিত


ss-steel-businesshour24

Runner-businesshour24

বিনিয়োগকারীদের স্বার্থে লিস্টিং পদ্ধতির সংশোধন ও সংযোজন হচ্ছে

আপডেট : 2019-09-05 18:13:51
বিনিয়োগকারীদের স্বার্থে লিস্টিং পদ্ধতির সংশোধন ও সংযোজন হচ্ছে

বিজনেস আওয়ার প্রতিবেদক : বিনিয়োগকারীদের স্বার্থে সময়ের সাথে সাথে লিস্টিং পদ্ধতির প্রয়োজনীয় সংশোধন ও সংযোজন হচ্ছে বলে জানিয়েছেন ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জের (ডিএসই) পরিচালক মিনহাজ মান্নান ইমন৷ নব্বই দশকের শুরুতে বাংলাদেশ সিকিউরিটিজ অ্যান্ড এক্সচেঞ্জ কমিশন (বিএসইসি) গঠিত হওয়ার পর এই কাজ শুরু হয়েছে।

ডিএসই ট্রেনিং একাডেমীর ২ দিনব্যাপী আয়োজিত (৩ থেকে ৪ সেপ্টেম্বর) "ইনিশিয়াল পাবলিক অফারিং (আইপিও): প্রসেসেস এন্ড প্রসিডিউরস " শীর্ষক কর্মশালার সমাপনী দিনে ডিএসই'র পরিচালক মিনহাজ মান্নান ইমন এসব কথা বলেন।

ইমন বলেন, আগে আইপিওতে গুটি কয়েকজন আবেদন করতেন৷ ওইসময় কিভাবে আবেদন করা যায়, তা জানতে পারলেই চলবে বলে মনে করা হত। কিন্ত এখন আইপিও প্রক্রিয়া কি, কিভাবে আসছে, রিক্যুয়ারমেন্ট কি, কার্যক্রম কি, আইন এর কাঠামো কি, মূল্য নির্ধারণ পদ্ধতি কি, লেনদেন কিভাবে হবে, এর কার্যপ্রণালী কি ইত্যাদি বিষয় সম্পর্কে জ্ঞান থাকতে হয়। এসব সম্পর্কে জ্ঞান থাকাটা সময়োপযোগী বিষয়৷ আর বিনিয়োগকারীরা সেই জ্ঞান আহরন করতে পারছে পাঠদান কর্মসূচি বা ট্রেনিং এ অংশগ্রহণের মাধ্যমে।

তিনি আরো বলেন, ৮০’র দশকে যখন শেয়ার বেচাকেনা হতো, তখন এইসব কাঠামোগত বিষয়, আইন ও নিয়ন্ত্রক সংস্থা ছিল না ৷ তবে এখন নিয়ন্ত্রক সংস্থার পরামর্শে ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জ বিভিন্ন ধরণের শিক্ষামূলক কার্যক্রম প্রদান করছে। এতে অংশগ্রহনকারীর জ্ঞান-ভান্ডার সমৃদ্ধ করার সুযোগ পাচ্ছেন। আগে বিশ্বের বিভিন্ন স্টক এক্সচেঞ্জের যে সমস্ত প্রকাশনা ছিল, সেগুলো পড়ার বা বোঝার মতো জ্ঞান ছিল না৷ এখন সকলের জন্য সেই দরজা উন্মুক্ত। পেপার পরে, অনলাইন এ তথ্য পেয়ে, ওয়েবসাইট ও নিয়ন্ত্রক সংস্থা ও এক্সচেঞ্জের আইন সবই পাওয়া যায়। যা থেকে সহজেই যেকোনো প্রয়োজনীয় তথ্য সহজেই পাওয়া যায়।

এখন যারা ক্যাপিটাল মার্কেট এ আসছেন, তারা সত্যিকার অর্থে জ্ঞান অর্জন, ট্রেনিং ও পড়াশোনা করে আসছেন বলে জানান ডিএসইর এই পরিচালক। তিনি বলেন, এখন শেয়ারবাজারে প্রবেশ পথে জ্ঞান অর্জন ও প্রাপ্তির সুযোগ থাকছে। আরো সৌভাগ্যের বিষয় হলো, যারা ট্রেনিং দিচ্ছেন, তারা স্টক এক্সচেঞ্জ ও কমিশনের আইন কানুন সম্পর্কে ওয়াকিবহাল।

পরিশেষে তিনি বলেন, ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জ পরিচালিত ট্রেনিংগুলো খুবই কার্যকর হবে৷ একটি বৃহৎ গোষ্ঠির জ্ঞান অর্জন সম্ভব, যদি সবাই সবগুলো ট্রেনিং এ অংশগ্রহণ করে৷ ট্রেনিং থেকে প্ৰাপ্ত অভিজ্ঞতা জেনে, শুনে ও বুঁঝে নিজেকে বাজারের সাথে সম্পৃক্ত করা জরুরী৷

সবশেষে প্রশিক্ষনাথীদের মাঝে সনদ বিতরন করেন ইমন৷ এসময় উপস্থিত ছিলেন বিএসইসির পরচিালক মোঃ রেজাউল করিম, ডিএসই’র ট্রেনিং একাডেমীর ম্যানেজার মুহাম্মদ রনি ইসলাম।

বিজনেস আওয়ার/০৫ সেপ্টেম্বর, ২০১৯/আরএ

পাঠকের মতামত: