ঢাকা, শনিবার, ১৯ অক্টোবর ২০১৯, ৪ কার্তিক ১৪২৬
sristymultimedia.com

প্রচ্ছদ » জাতীয় » বিস্তারিত


ss-steel-businesshour24

Runner-businesshour24

'দেড় মিনিটের সিসিটিভি ফুটেজে নেই মূল অপরাধীরা'

আপডেট : 2019-10-07 21:42:52
'দেড় মিনিটের সিসিটিভি ফুটেজে নেই মূল অপরাধীরা'

বিজনেস আওয়ার প্রতিবেদকঃ বাংলাদেশ প্রকৌশল ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের (বুয়েট) ছাত্র আবরার ফাহাদ হত্যার একটি সিসিটিভি ফুটেজ প্রকাশ করা হয়েছে। ভিডিওটির দৈর্ঘ্য মাত্র এক মিনিট ২২ সেকেন্ড। নিহত ফাহাদের বন্ধু ও সহপাঠীদের দাবি, এ ঘটনায় ফুটেজে যাদের দেখা গেছে তারা দ্বিতীয় বর্ষের শিক্ষার্থী। সিনিয়রদের নির্দেশ পালন করেছেন মাত্র। মূল অপরাধীদের এই সিসিটিভির ফুটেজে দেখা যায়নি। আমরা প্রশাসনের কাছে পুরো ঘটনার ফুটেজ দেখতে চেয়েছি কিন্তু আমাদের ফুটেজ দেখানো হয়নি।

ঘটনার সঙ্গে জড়িত ১৫তম ব্যাচের মূল অপরাধীরা সিসিটিভি ফুটেজে আসেনি। ভিডিওতে যাদের দেখা গেছে তাদের অধিকাংশই ১৭তম ব্যাচের শিক্ষার্থী এবং হল শাখা ছাত্রলীগের জুনিয়র নেতাকর্মী।

ভিডিওতে দেখা যায়, কয়েকজন চ্যাংদোলা করে ফাহাদকে হলের বারান্দা দিয়ে নিয়ে যাচ্ছে। এর মধ্যে কালো টি-শার্ট পরা মুয়াজ (ইইই ১৭ তম ব্যাচ), ডানপাশে বিশ্ববিদ্যালয় ছাত্রলীগের সদস্য জেমি ও তানিম (১৭তম ব্যাচ) রয়েছেন।

এরপরে রয়েছেন ইফতি মোশাররফ সকাল (১৬ তম ব্যাচ), মাহমুদুর রহমান মাজেদ (এমএমই ১৭তম ব্যাচ), মোর্শেদ (মেকানিক্যাল ১৭ তম ব্যাচ), মুজাহিদ (১৬ তম ব্যাচ ইইই), তানভীর (মেকানিক্যাল ১৬তম ব্যাচ), রাফাদ ও তোহা ( মেকানিক্যাল ১৭তম ব্যাচ)।

রবিবার দিবাগত রাতে বুয়েটের শেরে বাংলা হলের দ্বিতীয় তলায় আবরার ফাহাদকে মারধর করে হত্যা করা হয়। পরে হলের সিঁড়ি থেকে তার মরদেহ উদ্ধার করা হয়।

আবরার বুয়েটের ইলেক্ট্রিক্যাল অ্যান্ড ইলেক্ট্রনিক ইঞ্জিনিয়ারিং (ইইই) বিভাগের দ্বিতীয় বর্ষে পড়তেন। বুয়েটের শেরে বাংলা হলের আবাসিক ছাত্র ছিলেন তিনি। তার গ্রামের বাড়ি কুষ্টিয়ায়।

ফাহাদের মরদেহের ময়নাতদন্ত শেষে চিকিৎসকেরা জানান, মারধরের কারণে রক্তক্ষরণ ও ব্যথায় তার মৃত্যু হয়েছে।

এ ঘটনায় পুলিশ নয়জনকে আটকের তথ্য জানিয়েছে। আটকদের মধ্যে বুয়েট ছাত্রলীগের সাধারণ সম্পাদক মেহেদী হাসান ও সহ সভাপতি ফুয়াদ হোসেনও রয়েছেন।

বিজনেস আওয়ার/৭ অক্টোবর, ২০১৯/আর

পাঠকের মতামত: