ঢাকা, বুধবার, ২৩ অক্টোবর ২০১৯, ৮ কার্তিক ১৪২৬
sristymultimedia.com

প্রচ্ছদ » জাতীয় » বিস্তারিত


ss-steel-businesshour24

Runner-businesshour24

‘এটা একটা খুন, আপনাকে স্বীকার করতে হবে’

আপডেট : 2019-10-08 20:35:41
‘এটা একটা খুন, আপনাকে স্বীকার করতে হবে’

বিজনেস আওয়ার প্রতিবেদকঃ বাংলাদেশ প্রকৌশল বিশ্ববিদ্যালয়ের (বুয়েট) শিক্ষার্থী আবরার ফাহাদকে পিটিয়ে হত্যার ঘটনার ৪৮ ঘণ্টা পর শিক্ষার্থীদের সামনে এসে তোপের মুখে পড়েছেন বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক সাইফুল ইসলাম। মঙ্গলবার (০৮ অক্টোবর) সন্ধ্যা ৬টার দিকে শিক্ষার্থীদের সঙ্গে কথা বলা শুরু করেন তিনি। এসময় শিক্ষার্থীদের সঙ্গে বাকবিতণ্ডা হয়। এক পর্যায়ে উপাচার্যকে 'ভুয়া' 'ভুয়া' বলে স্লোগান দিতে শুরু করেন শিক্ষার্থীরা।

ভিসি বলেছেন, ‘আমি তোমাদের অভিভাবক, তোমরা আমার সন্তান। আবরারের সাথে যে ঘটনাটি ঘটেছে সেটা অনাকাঙ্ক্ষিত।’

এ কথা শোনার পর শিক্ষার্থীরা ক্ষিপ্ত হয়ে ওঠেন। তারা ভিসিকে বলেন, ‘এটা একটা খুন, আপনাকে স্বীকার করতে হবে।’

বুয়েট শিক্ষার্থী আবরার ফাহাদকে পিটিয়ে হত্যার ঘটনায় শিক্ষকদের সঙ্গে বৈঠক শেষে মঙ্গলবার সন্ধ্যা পৌনে ৬টার দিকে উপাচার্য (ভিসি) অধ্যাপক সাইফুল ইসলাম ভিসি ভবনের সামনে আন্দোলনরত শিক্ষার্থীদের সঙ্গে কথা বলতে আসেন। পরে তাকে প্রায় ৪০ মিনিট অবরুদ্ধ করে রাখেন শিক্ষার্থীরা।

এ সময় শিক্ষার্থীদের শান্ত হয়ে কথা শুনতে বলেন ভিসি সাইফুল ইসলাম। আন্দোলনরত শিক্ষার্থীরা শান্ত হলে ভিসি বলেন, ‘আমি শিক্ষামন্ত্রী ও উপমন্ত্রীর সাথে কথা বলেছি। তারা দেশের বাইরে আছেন। সেখান থেকে তারা যেভাবে নির্দেশনা দিচ্ছেন আমি তা পালন করছি। আমি তোমাদের দাবিগুলো দেখেছি। এসব নিয়ে তোমাদের শিক্ষকদের সাথে কথা হয়েছে। আমি সব দাবি মেনে নিয়েছি।’

এ সময় কয়েকজন শিক্ষার্থী উত্তেজিত হয়ে ভিসিকে বলেন, ‘আবরার খুন হওয়ার পর আপনি কই ছিলেন? গতকাল কেন এখানে আসেননি?’

ভিসি বলেন, ‘আমি এখানেই ছিলাম। আমি গত রাত দেড়টা পর্যন্ত কাজ করেছি।’

এই বলে ভিসি চলে যেতে চাইলে শিক্ষার্থীরা ‘ভুয়া ভুয়া’ বলে স্লোগান দিতে থাকেন। এরপর শিক্ষার্থীরা ভিসি ভবনের নিচে তাকে অবরুদ্ধ করে রাখেন। ভিসির সাথে বুয়েটের বিভিন্ন বিভাগের ডিন ও শিক্ষকরা শিক্ষার্থীদের শান্ত করার চেষ্টা করেন।

অবরুদ্ধ অবস্থায় ভিসিকে নানা প্রশ্ন করতে থাকেন শিক্ষার্থীরা। তখন ভিসি বলেন, ‘আমি তোমাদের কাছে এভাবে জবাবদিহি করব না। তোমরা কয়েকজন আসো, আমি আলোচনা করব।’

এটা বলার পর ‘শেম শেম’, ‘মানি না, মানি না’ বলে বিক্ষোভ করতে থাকেন আন্দোলনরত শিক্ষার্থীরা। পরে নানাভাবে বুঝিয়ে উপস্থিত শিক্ষক ও ডিনদের নিয়ে চলে যান ভিসি সাইফুল ইসলাম।

বিজনেস আওয়ার/৮ অক্টোবর,২০১৯/আরআই

পাঠকের মতামত: