বিজনেস আওয়ার প্রতিবেদক : বৃহস্পতিবার (১১ জুলাই) ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জের (ডিএসই) পরিচালনা পর্ষদের আলোচ্যসূচিতে (এজেন্ডা) তালিকাচুতির কোন বিষয় ছিল না। তবে ১৬ কোম্পানির তালিকাচ্যুতির বিষয়ে ডিএসইর পর্ষদ সিদ্ধান্ত নিতে যাচ্ছে বলে বুধবার (১০ জুলাই) গুজব ছড়ানো হয়।ডিএসই থেকে পাঠানো এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানা গেছে।

বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়েছে, গতকাল এবং আজ কয়েকটি অনলাইন ও জাতীয় পত্রিকায় ‘১৬ কোম্পানির ডি-লিস্টিয়ের সিদ্ধান্ত আজ’ শীর্ষক শিরোনামে সংবাদ প্রকাশ করা হয়েছে। যা ডিএসইর দৃষ্টিগোচর হয়েছে। প্রকৃতপক্ষে এ ধরনের কোন এজেন্ডা আজকের বোর্ড সভায় ছিল না। অতএব, এ বিষয়ে কোন সিদ্ধান্তেরও প্রশ্নই আসে না। ডিএসই মনে করে, এটা এক ধরনের গুজব। যা মোটেই কাঙ্খিত নয়। এতে বাজারে নেতিবাচক প্রভাব পড়েছে এবং বিনিয়োগকারীদের মাঝে এক ধরনের বিভ্রান্তির সৃষ্টি হয়েছে।

বিজ্ঞপ্তিতে আরও বলা হয়েছে, শেয়ারবাজার অত্যন্ত সংবেদনশীল। এখানে প্রত্যক্ষ ও পরোক্ষভাবে জড়িত রয়েছেন প্রায় এক কোটি মানুষ। শেয়ারবাজার নিয়ে যে কোন ধরনের সংবাদ বড় ধরনের প্রভাব ফেলে। তাই শেয়ারবাজার বিষয়ে যে কোন ধরনের সংবাদ পরিবেশন করার ক্ষেত্রে অত্যন্ত সতর্ক থাকা নৈতিক দায়িত্ব। আগামিতেখবর পরিবেশনের ক্ষেত্রে সবাইকে সত্যতা যাচাই-বাছাই করে সঠিক ও বস্তুনিষ্ঠ সংবাদ পরিবেশনের মাধ্যমে বিনিয়োগকারীদের সহায়তা করার আহ্বান করেছেন ডিএসই কর্তৃপক্ষ।

গত ৫ বছর বা এর বেশি সময় ধরে শেয়ারহোল্ডারদের লভ্যাংশ দেয় না ও ৩ বছর ধরে উৎপাদন বন্ধ এমন ১৬টি কোম্পানিকে পর্যবেক্ষনে রেখেছে ডিএসই। যেসব কোম্পানিগুলোকে তালিকাচ্যুতির বিষয়ে আজকের ডিএসই পর্ষদ সভায় সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে বলে গুজব ছড়ানো হয়েছিল।

কোম্পানিগুলো হচ্ছে- মেঘনা পেট ইন্ডাস্ট্রিজ, বিচ হ্যাচারি, ইউনাইটেড এয়ারওয়েজ, মেঘনা কনডেন্সড মিল্ক, জুট স্পিনার্স, ইমাম বাটন, বেক্সিমকো সিনথেটিক্স, সাভার রিফ্রেক্টরিজ, দুলামিয়া কটন, সমতা লেদার কমপ্লেক্স, শ্যামপুর সুগার মিলস, জিল বাংলা সুগার মিলস, আইসিবি ইসলামিক ব্যাংক, শাইনপুকুর সিরামিকস, কে অ্যান্ড কিউ (বাংলাদেশ), সোনারগাঁও টেক্সটাইল এবং ইনফরমেশন সার্ভিসেস নেটওয়ার্ক।

উল্লেখ্য, গত বছরের ১৮ জুলাই দীর্ঘদিন ধরে উৎপাদন বা ব্যবসায়িক কার্যক্রম বন্ধ থাকা রহিমা ফুড ও মডার্ণ ডাইং অ্যান্ড স্ক্রিন প্রিন্টিংকে তালিকাচ্যুত (ডিলিস্টিং) করে ডিএসই কর্তৃপক্ষ। নিকট ভবিষ্যতে কোম্পানি ২টির উৎপাদন শুরু করার কোনো সম্ভাবনা না থাকায় এমন সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়।

বিজনেস আওয়ার/১১ জুলাই, ২০১৯/আরএ