বিজনেস আওয়ার প্রতিবেদক : সিপিডি সব সময় নিজেদের লাইনে চলে। কিন্তু আমি যে দেশের জনগণের নুন খাই সে দেশের গুণ গাই। সরকারেরও গবেষণা প্রতিষ্ঠান রয়েছে। সেগুলো সরকারের আয় দিয়ে পরিচালিত হয়।

কিন্তু সিপিডি পরিচালিত হয় কীভাবে? তাদের আয়ের উৎস কী? তারা এ পর্যন্ত কত জনের কর্মসংস্থানের ব্যবস্থা করেছেন? এ প্রশ্নের জবাব আমি চাই। এটা সম্পর্কে আমি তাদের কাছ থেকে পরিষ্কার স্টেটমেন্ট চাই।

সোমবার (৪ নভেম্বর) বিকেলে রাজধানীর শেরেবাংলা নগরে নিজ দফতরে জাপান সরকারের এক প্রতিনিধি দলের সঙ্গে বৈঠক শেষে সংবাদ সম্মেলনে এসব কথা বলেন অর্থমন্ত্রী আ হ ম মুস্তফা কামাল।

সাংবাদিকদের এক প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, বাংলাদেশের উন্নয়ন এখন প্রমাণিত। কারণ গত ১০ বছরে দেশের অর্থনৈতিক উন্নয়ন, কর্মসংস্থান ও জিডিপি প্রবৃদ্ধি এর বড় প্রমাণ। জিডিপি অর্জনে কোনও ম্যাজিক নেই।

সিপিডির উদ্দেশে তিনি বলেন, দেশের ঋণাত্মক সূচকগুলো না প্রকাশ করে বিশ্ব পরিস্থিতির সঙ্গে বাংলাদেশের উন্নয়নকে তুলনা করুন।

রফতানি সামান্য কমেছে স্বীকার করে অর্থমন্ত্রী বলেন, এ সময় শুধু বাংলাদেশে নয়, সারা বিশ্বেই রফতানি কমেছে। তবে আগামী ৫ বছরের মধ্যে রফতানি বাড়বে। বাংলাদেশের অর্থনীতির চেহারাও বদলে যাবে।

মন্ত্রী বলেন, সিপিডি শুধু নেতিবাচক সূচকগুলো নিয়েই কথা বলে। আমি তাদের বলবো, সমস্যা নিয়ে কথা না বলে সমাধানের বিষয়ে যেন তারা পরামর্শ দেয়।

তবে সিপিডি কিছু ভালো কথাও বলে উল্লেখ করে তিনি বলেন, আমরা চাই সিপিডি এমন বিষয়ে তথ্য সরবরাহ করুক, যেসব তথ্য বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্রদের এবং বিভিন্ন গবেষণার কাজে লাগবে।

সিপিডি যে সবসময় খারাপ বলে, তা নয় উল্লেখ করে অর্থমন্ত্রী বলেন, সিপিডি কিছু গঠনমূলক তথ্যও দেয়। কিন্তু অনেক সময় গঠনমূলক তথ্য দিতে গিয়ে ওভার ডু (বাড়িয়ে বলে) করে ফেলে।

বিজনেস আওয়ার/০৪ নভেম্বর, ২০১৯/এ