1. [email protected] : Asim : Asim
  2. [email protected] : anis : anis
  3. [email protected] : Admin : Admin
  4. [email protected] : Nayan Babu : Nayan Babu
  5. [email protected] : Polash : Polash
  6. [email protected] : Rajowan : Rajowan
  7. [email protected] : Riyad : Riyad
বেঁচে যাওয়া বাংলাদেশির বর্ণনায় লিবিয়ার নৃশংস হত্যাকাণ্ড
সোমবার, ২১ সেপ্টেম্বর ২০২০, ১২:৩৫ পূর্বাহ্ন

বেঁচে যাওয়া বাংলাদেশির বর্ণনায় লিবিয়ার নৃশংস হত্যাকাণ্ড

  • পোস্ট হয়েছে : শুক্রবার, ২৯ মে, ২০২০

বিজনেস আওয়ার প্রতিবেদকঃ লিবিয়ায় ২৬ বাংলাদেশিকে গুলি করে হত্যার সময় ভাগ্যক্রমে বেঁচে যান একজন। নৃশংস এই হত্যাকাণ্ডের সাক্ষী ঐ বাংলাদেশি ঘটনার বিস্তারিত বর্ণনা দিয়েছেন।

ত্রিপলীস্থ বাংলাদেশ দূতাবাসকে তিনি জানান, লিবিয়ার দক্ষিণাঞ্চলীয় শহর মিজদাতে ঘটনাটি ঘটে। ঘটনাস্থলের অবস্থান ত্রিপলী থেকে ১৮০ কি.মি. দক্ষিণে।

ঐ বাংলাদেশির ভাষ্য, ১৫ দিন আগে লিবিয়ার বেনগাজী থেকে মরুভূমি পাড়ি দিয়ে ত্রিপলিতে নেওয়া হচ্ছিল ৩৮ বাংলাদেশিকে। পথেই তাদের মুক্তিপণ আদায়ের জন্য জিম্মি করে মানব পাচারকারীরা। মিজদা শহরে নেওয়ার পর তাদের ওপর শুরু হয় নির্যাতন।

নির্যাতন যখন কঠিন পর্যায়ে চলে যায়, তখন বাধা দেন অপহৃত ব্যক্তিরা। একপর্যায়ে অপহৃত ব্যক্তিরা মূল মানব পাচারকারীর লিবিয়ান ব্যক্তিকে হত্যা করেন।

এ ঘটনার খবর চলে যায় ওই নিহত পাচারকারীর স্বজনদের কাছে। তারাসহ অন্য দুষ্কৃতিকারীরা জিম্মিদের উপর এলোপাতাড়ি গুলিবর্ষণ শুরু করে। এতে ২৬ বাংলাদেশিসহ ৩০ জন অভিবাসী ঘটনাস্থলেই নিহত হন।

বেঁচে যাওয়া ঐ বাংলাদেশি বর্তমানে একজন হৃদয়বান লিবিয়ানের আশ্রয়ে আত্মগোপন করে আছেন।

এ বিষয়ে ত্রিপলীস্থ বাংলাদেশ দূতাবাস বৃহস্পতিবার রাতে ঢাকায় একটি রিপোর্ট পাঠিয়েছে। দূতাবাস জানায়, নিহত ২৬ বাংলাদেশির লাশ মিজদাহ হাসপাতালে সংরক্ষিত রয়েছে। আহত বাকি ১১ বাংলাদেশির হাত-পায়ে ও বুকে-পিঠে গুলি লেগেছে। তারা হাসপাতালে চিকিৎসাধীন রয়েছেন।

আন্তর্জাতিক সম্প্রদায় সমর্থিত লিবিয়ার জাতীয় সরকার (জিএনএ) জানিয়েছে, মিজদা শহরে ২৬ বাংলাদেশি এবং চারজন আফ্রিকান অভিবাসী মারা গেছেন। আহত হয়েছেন ১১ জন।

তুরস্ক সরকার সমর্থিত সংবাদমাধ্যম ডেইলি সাবাহার খবরে বলা হয়, এক পাচারকারী পরিবার প্রতিশোধ নিতে এই হত্যাকাণ্ড চালিয়েছে। ঐ পাচারকারী আগেই মারা গেছে। সেই মৃত্যুর দায় এই অভিবাসীদের ওপর চাপিয়েছে তার স্বজনরা। ফলে তাদের হত্যা করা হয়।

তেল নির্ভর অর্থনীতির দেশ লিবিয়া দীর্ঘদিন ধরে অভিবাসীদের গন্তব্য হয়ে দাঁড়িয়েছে। কাজের সন্ধানে এশিয়া ও আফ্রিকার অনেক দেশ থেকেই তরুণেরা অবৈধ পথে দেশটিতে পাড়ি জমায়। এদের মধ্যে বেশির ভাগের চেষ্টা থাকে ভূমধ্যসাগর পেরিয়ে অবৈধভাবে ইউরোপে যাওয়ার।

বিজনেস আওয়ার/ ২৯ মে,২০২০/ কমা

ফেসবুকের মাধ্যমে আপনার মতামত জানান:
এ বিভাগের আরো সংবাদ