ঢাকা , বৃহস্পতিবার, ৩০ মে ২০২৪, ১৬ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩১ বঙ্গাব্দ

পতন বাজারেও বেড়েছে মূলধন

  • পোস্ট হয়েছে : ১০:৫১ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ২০ এপ্রিল ২০২৪
  • 29

বিজনেস আওয়ার প্রতিবেদক: ঈদের পর গত সপ্তাহে লেনদেন হওয়া চার কার্যদিবসেই দেশের পুঁজিবাজারে দরপতন হয়েছে। সিংহভাগ প্রতিষ্ঠানের শেয়ার ও ইউনিটের দাম কমার পাশাপাশি সবকটি মূল্য সূচকের বড় পতন হয়েছে। এরপরও সপ্তাহের ব্যবধানে প্রধান পুঁজিবাজার ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জের (ডিএসই) বাজার মূলধন সাড়ে ২১ হাজার কোটি টাকার ওপরে বেড়েছে।

এর আগে ঈদের ছুটি শুরু হওয়ার আগে দুই মাসের বেশি সময় ধরে পতনের মধ্যে থাকে পুঁজিবাজার। এতে ডিএসইর বাজার মূলধন এক লাখ কোটি টাকার ওপরে কমে যায়। তবে ঈদের আগে শেষ চার কার্যদিবস কিছুটা ঊর্ধ্বমুখী থাকে বাজার। অবশ্য তাতে খুব একটা উপকার হয়নি বিনিয়োগকারীদের। ঈদে বড় ধরনের ক্ষতির মধ্যে থেকেই যান বিনিয়োগকারীরা। আর ঈদের পর আবার পুঁজিবাজারে টানা দরপতন দেখা যাচ্ছে।

পতনের বাজারে ডিএসইর বাজার মূলধন বেড়েছে ৩.১৫ শতাংশ বা ২১ হাজার ৫৯১ কোটি টাকা।বিদায়ীসপ্তাহের শেষ কর্মদিবসে ডিএসইর বাজার মূলধন দাঁড়িয়েছে ৭ লাখ ৬ হাজার ৩২৫ কোটি টাকায়। আর আগের সপ্তাহের শেষ কর্মদিবসে মূলধন ছিল ৬ লাখ ৮৪ হাজার ৭৩৪ কোটি টাকা।

তবে আগেরসপ্তাহের চেয়ে কমেছে ডিএসইর সবকটি সূচক। সপ্তাহের ব্যবধানে প্রধান মূল্যসূচক ডিএসইএক্স কমেছে ১৭৭.৪০ পয়েন্ট বা ৩.০৩ শতাংশ। এছাড়া ডিএসইএস সূচক কমেছে ৩৫.৭৪ পয়েন্ট বা ২.৭৯ শতাংশ। আর ডিএসই-৩০ সূচক কমেছে ৪৭.৮১ পয়েন্ট বা ২.৩৫ শতাংশ।

সূচকের নিম্নমুখী প্রবণতার পাশাপাশি ডিএসইতে কমেছে লেনদেনের পরিমাণও। সপ্তাহজুড়ে ডিএসইতে মোট লেনদেন হয়েছে ১ হাজার ৯১২ কোটি ৮১ লাখ টাকা।

আগের সপ্তাহে মোট লেনদেন হয়েছিল ২ হাজার ১৭৪ কোটি ২০ লাখ টাকা। লেনদেন কমেছে ২৬১ কোটি ৩৯ লাখ টাকা। তবে প্রতি কর্মদিবসে গড় লেনদেন বেড়েছে ৯.৯৭ শতাংশ বা ৪৩ কোটি ৩৬ লাখ টাকা।

বিদায়ী সপ্তাহের প্রতি কর্মদিবসে ডিএসইতে গড়ে লেনদেন হয়েছে ৪৭৮ কোটি ২০ লাখ টাকা। আগের সপ্তাহে প্রতিদিন গড়ে লেনদেন হয়েছিল ৪৩৪ কোটি ৮৪ লাখ টাকা টাকা।

সপ্তাহজুড়ে ডিএসইতে ৩৯৫টি কোম্পানির শেয়ার ও মিউচুয়াল ফান্ড ইউনিটের লেনদেন হয়েছে। এর মধ্যে দাম বেড়েছে ৮৯টি কোম্পানির, কমেছে ২৮৫টির এবং অপরিবর্তিত রয়েছে ২১টি কোম্পানির শেয়ারের দাম।

এদিকে সপ্তাহ ব্যবধানে দেশের অপর শেয়ারবাজার চট্টগ্রাম স্টক এক্সচেঞ্জে (সিএসই) প্রধান সূচক সিএএসপিআই সূচক ২.৯২ শতাংশ ও সিএসসিএক্স সূচক ২.৯০ শতাংশ কমে দাঁড়িয়েছে যথাক্রমে ১৬ হাজার ২৪৪.৫১ পয়েন্ট ও ৯ হাজার ৭৬৬.৮২ পয়েন্টে।

এছাড়া সিএসআই সূচক ১.৯৯ শতাংশ, সিএসই-৩০ সূচক ২.৫২ শতাংশ ও সিএসই-৫০ সূচক ৩.৬৯ শতাংশ কমে দাঁড়িয়েছে যথাক্রমে ১ হাজার ৬৮.৩৮ পয়েন্টে, ১২ হাজার ৪৫৩.৭১ পয়েন্টে ও ১ হাজার ১৪৭.৩২ পয়েন্টে।

সপ্তাহজুড়ে লেনদেন হয়েছে ৪৮ কোটি ৫৯ লাখ টাকা, যা আগের সপ্তাহে হয়েছিল ১৬ কোটি ১১ লাখ টাকা।

সপ্তাহজুড়ে সিএসইতে ৩০১টি কোম্পানির শেয়ার ও মিউচুয়াল ফান্ড ইউনিট লেনদেন হয়েছে। এর মধ্যে দাম বেড়েছে ৬১টির, কমেছে ২১১টির ও অপরিবর্তিত রয়েছে ২৯টি কোম্পানির শেয়ার দর।

বিজনেস আওয়ার/২০ এপ্রিল/ এ এইচ

ফেসবুকের মাধ্যমে আপনার মতামত জানান:
ট্যাগ :

আপনার মতামত লিখুন

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার মেইলে তথ্য জমা করুন

পতন বাজারেও বেড়েছে মূলধন

পোস্ট হয়েছে : ১০:৫১ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ২০ এপ্রিল ২০২৪

বিজনেস আওয়ার প্রতিবেদক: ঈদের পর গত সপ্তাহে লেনদেন হওয়া চার কার্যদিবসেই দেশের পুঁজিবাজারে দরপতন হয়েছে। সিংহভাগ প্রতিষ্ঠানের শেয়ার ও ইউনিটের দাম কমার পাশাপাশি সবকটি মূল্য সূচকের বড় পতন হয়েছে। এরপরও সপ্তাহের ব্যবধানে প্রধান পুঁজিবাজার ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জের (ডিএসই) বাজার মূলধন সাড়ে ২১ হাজার কোটি টাকার ওপরে বেড়েছে।

এর আগে ঈদের ছুটি শুরু হওয়ার আগে দুই মাসের বেশি সময় ধরে পতনের মধ্যে থাকে পুঁজিবাজার। এতে ডিএসইর বাজার মূলধন এক লাখ কোটি টাকার ওপরে কমে যায়। তবে ঈদের আগে শেষ চার কার্যদিবস কিছুটা ঊর্ধ্বমুখী থাকে বাজার। অবশ্য তাতে খুব একটা উপকার হয়নি বিনিয়োগকারীদের। ঈদে বড় ধরনের ক্ষতির মধ্যে থেকেই যান বিনিয়োগকারীরা। আর ঈদের পর আবার পুঁজিবাজারে টানা দরপতন দেখা যাচ্ছে।

পতনের বাজারে ডিএসইর বাজার মূলধন বেড়েছে ৩.১৫ শতাংশ বা ২১ হাজার ৫৯১ কোটি টাকা।বিদায়ীসপ্তাহের শেষ কর্মদিবসে ডিএসইর বাজার মূলধন দাঁড়িয়েছে ৭ লাখ ৬ হাজার ৩২৫ কোটি টাকায়। আর আগের সপ্তাহের শেষ কর্মদিবসে মূলধন ছিল ৬ লাখ ৮৪ হাজার ৭৩৪ কোটি টাকা।

তবে আগেরসপ্তাহের চেয়ে কমেছে ডিএসইর সবকটি সূচক। সপ্তাহের ব্যবধানে প্রধান মূল্যসূচক ডিএসইএক্স কমেছে ১৭৭.৪০ পয়েন্ট বা ৩.০৩ শতাংশ। এছাড়া ডিএসইএস সূচক কমেছে ৩৫.৭৪ পয়েন্ট বা ২.৭৯ শতাংশ। আর ডিএসই-৩০ সূচক কমেছে ৪৭.৮১ পয়েন্ট বা ২.৩৫ শতাংশ।

সূচকের নিম্নমুখী প্রবণতার পাশাপাশি ডিএসইতে কমেছে লেনদেনের পরিমাণও। সপ্তাহজুড়ে ডিএসইতে মোট লেনদেন হয়েছে ১ হাজার ৯১২ কোটি ৮১ লাখ টাকা।

আগের সপ্তাহে মোট লেনদেন হয়েছিল ২ হাজার ১৭৪ কোটি ২০ লাখ টাকা। লেনদেন কমেছে ২৬১ কোটি ৩৯ লাখ টাকা। তবে প্রতি কর্মদিবসে গড় লেনদেন বেড়েছে ৯.৯৭ শতাংশ বা ৪৩ কোটি ৩৬ লাখ টাকা।

বিদায়ী সপ্তাহের প্রতি কর্মদিবসে ডিএসইতে গড়ে লেনদেন হয়েছে ৪৭৮ কোটি ২০ লাখ টাকা। আগের সপ্তাহে প্রতিদিন গড়ে লেনদেন হয়েছিল ৪৩৪ কোটি ৮৪ লাখ টাকা টাকা।

সপ্তাহজুড়ে ডিএসইতে ৩৯৫টি কোম্পানির শেয়ার ও মিউচুয়াল ফান্ড ইউনিটের লেনদেন হয়েছে। এর মধ্যে দাম বেড়েছে ৮৯টি কোম্পানির, কমেছে ২৮৫টির এবং অপরিবর্তিত রয়েছে ২১টি কোম্পানির শেয়ারের দাম।

এদিকে সপ্তাহ ব্যবধানে দেশের অপর শেয়ারবাজার চট্টগ্রাম স্টক এক্সচেঞ্জে (সিএসই) প্রধান সূচক সিএএসপিআই সূচক ২.৯২ শতাংশ ও সিএসসিএক্স সূচক ২.৯০ শতাংশ কমে দাঁড়িয়েছে যথাক্রমে ১৬ হাজার ২৪৪.৫১ পয়েন্ট ও ৯ হাজার ৭৬৬.৮২ পয়েন্টে।

এছাড়া সিএসআই সূচক ১.৯৯ শতাংশ, সিএসই-৩০ সূচক ২.৫২ শতাংশ ও সিএসই-৫০ সূচক ৩.৬৯ শতাংশ কমে দাঁড়িয়েছে যথাক্রমে ১ হাজার ৬৮.৩৮ পয়েন্টে, ১২ হাজার ৪৫৩.৭১ পয়েন্টে ও ১ হাজার ১৪৭.৩২ পয়েন্টে।

সপ্তাহজুড়ে লেনদেন হয়েছে ৪৮ কোটি ৫৯ লাখ টাকা, যা আগের সপ্তাহে হয়েছিল ১৬ কোটি ১১ লাখ টাকা।

সপ্তাহজুড়ে সিএসইতে ৩০১টি কোম্পানির শেয়ার ও মিউচুয়াল ফান্ড ইউনিট লেনদেন হয়েছে। এর মধ্যে দাম বেড়েছে ৬১টির, কমেছে ২১১টির ও অপরিবর্তিত রয়েছে ২৯টি কোম্পানির শেয়ার দর।

বিজনেস আওয়ার/২০ এপ্রিল/ এ এইচ

ফেসবুকের মাধ্যমে আপনার মতামত জানান: