ঢাকা , বৃহস্পতিবার, ৩০ মে ২০২৪, ১৬ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩১ বঙ্গাব্দ

ঢাবিতে স্বাধীন ফিলিস্তিনের দাবিতে মানব পতাকা প্রর্দশন

  • পোস্ট হয়েছে : ০৯:০৬ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ১০ মে ২০২৪
  • 50

বিজনেস আওয়ার প্রতিবেদক: ইসরাইল কর্তৃক ফিলিস্তিনিদের উপর হামলার প্রতিবাদে বৈশ্বিক ছাত্র আন্দোলনের সংহতি জানিয়ে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে (ঢাবি) ফিলিস্তিনের মানব প্রতাকা প্রদর্শিত হয়েছে।

বৃহস্পতিবার (৯ মে) বিকালে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের সন্ত্রাসবিরোধী রাজু ভাস্কর্যের সামনে সাধারণ শিক্ষার্থীদের পক্ষ থেকে এ পতাকা প্রদর্শন করা হয়। এসময় বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক, মানবিকার কর্মী, শিক্ষার্থীরা ফিলিস্তিনি মুক্তির দাবিতে বক্তব্য দেন।

ঢাবির আইন বিভাগের অধ্যাপক আসিফ নজরুল বলেন, ফিলিস্তিনে আজ যে ঘটনা ঘটছে, সেটা বিশ্বের সবচেয়ের বড় গণহত্যা। তারা ৪০ হাজার সিভিলিয়ানদের হত্যা করেছে। তন্মধ্যে ৮০ শতাংশ শিশু ও নারী। রাফাহর যে পথ দিয়ে বিশ্ববাসীর পক্ষ থেকে ফিলিস্তিনদের কাছে ত্রাণ কাছে যেত, সেখানেও হামলা করা হয়েছে। এটা কোনো যুদ্ধ নয়, সুস্পষ্ট গণহত্যা। এ ভয়াবহ গণহত্যার প্রতিবাদে সম্মিলিত কণ্ঠস্বর তুলতে হবে। এসময় ইসরায়েলে সব ধরনের যোগাযোগ, অর্থায়ন বন্ধের চুক্তি অব্যাহত রাখতে তিনি বাংলাদেশের সরকারকে অনুরোধ জানান।

মানবাধিকার কর্মী শারমিন মোর্শেদ বলেন, পাশ্চাত্যের দেশ আমেরিকা, ব্রিটেন, ইউরোপ অর্থ, মিডিয়া, প্রযুক্তি, তথ্যের অপব্যবহার করে বিভিন্ন দেশ দখল করেছে। ভিয়েতনাম, ইরাক, লিবিয়া, ইন্ডিয়াসহ বর্তমানে পরোক্ষভাবে ইসরাইলে দখলদারিত্ব করছে। তাদের এ দখলদারিত্বের লক্ষ্য দেশগুলোর ভুগর্ভে থাকা প্রাকৃতিক সম্পদ লুটে নেওয়া। আজ যেখানে আমেরিকা গড়ে উঠেছে, সেখানে আদিবাসিদের গণহত্যা করে উচ্ছেদ করেছে। তাদের হাতে অনেক আগে থেকেই মানুষের রক্ত লেগে আছে। ইসরাইল কর্তৃক ফিলিস্তিনের আগ্রাসনকে আজ প্রত্যক্ষভাবে তারা সর্মথন দিয়ে যাচ্ছে। আন্তজার্তিক আইনে যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরাইলেকে বিচারের আওতায় আনার জোর দাবি জানাচ্ছি।

আন্দোলনে রাখাল রাঙা বলেন, ফিলিস্তিন-ইসরাইয়েল যে দ্বি-রাষ্ট্র চুক্তি হয়েছিল, সেখান থেকে তারা সরে দাঁড়িয়ে জাতিগত উচ্ছেদের জায়গায় নিয়ে গেছে। ফিলিস্তিনে আল-জাজিরার অফিস বন্ধ করেছে। যুক্তরাষ্ট্রের মদদে ইসরায়েল ফিলিস্তিনি জাতিগত উচ্ছেদের আয়োজন করছে, আমরা তার তীব্র প্রতিবাদ জানায়।

গণতান্ত্রিক ছাত্রশক্তির আহ্বায়ক আখতার গণহত্যার বন্ধের জানিয়ে বলেন, ফিলিস্তিনে গণহত্যা বন্ধ করতে হবে এবং আন্তর্জাতিক আইনে ইসরায়েলকে বিচার করতে হবে। ইসরাইলের সঙ্গে বাংলাদেশের সব সর্ম্পক বন্ধের নীতিতে অটল থাকতে হবে।

এসময় জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থী আরিফ সোহেল, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থী মাহিরসহ আরও অনেকে বক্তব্য প্রদান করেন।

বিজনেস আওয়ার/১০ মে/ রহমান

ফেসবুকের মাধ্যমে আপনার মতামত জানান:
ট্যাগ :

আপনার মতামত লিখুন

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার মেইলে তথ্য জমা করুন

ঢাবিতে স্বাধীন ফিলিস্তিনের দাবিতে মানব পতাকা প্রর্দশন

পোস্ট হয়েছে : ০৯:০৬ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ১০ মে ২০২৪

বিজনেস আওয়ার প্রতিবেদক: ইসরাইল কর্তৃক ফিলিস্তিনিদের উপর হামলার প্রতিবাদে বৈশ্বিক ছাত্র আন্দোলনের সংহতি জানিয়ে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে (ঢাবি) ফিলিস্তিনের মানব প্রতাকা প্রদর্শিত হয়েছে।

বৃহস্পতিবার (৯ মে) বিকালে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের সন্ত্রাসবিরোধী রাজু ভাস্কর্যের সামনে সাধারণ শিক্ষার্থীদের পক্ষ থেকে এ পতাকা প্রদর্শন করা হয়। এসময় বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক, মানবিকার কর্মী, শিক্ষার্থীরা ফিলিস্তিনি মুক্তির দাবিতে বক্তব্য দেন।

ঢাবির আইন বিভাগের অধ্যাপক আসিফ নজরুল বলেন, ফিলিস্তিনে আজ যে ঘটনা ঘটছে, সেটা বিশ্বের সবচেয়ের বড় গণহত্যা। তারা ৪০ হাজার সিভিলিয়ানদের হত্যা করেছে। তন্মধ্যে ৮০ শতাংশ শিশু ও নারী। রাফাহর যে পথ দিয়ে বিশ্ববাসীর পক্ষ থেকে ফিলিস্তিনদের কাছে ত্রাণ কাছে যেত, সেখানেও হামলা করা হয়েছে। এটা কোনো যুদ্ধ নয়, সুস্পষ্ট গণহত্যা। এ ভয়াবহ গণহত্যার প্রতিবাদে সম্মিলিত কণ্ঠস্বর তুলতে হবে। এসময় ইসরায়েলে সব ধরনের যোগাযোগ, অর্থায়ন বন্ধের চুক্তি অব্যাহত রাখতে তিনি বাংলাদেশের সরকারকে অনুরোধ জানান।

মানবাধিকার কর্মী শারমিন মোর্শেদ বলেন, পাশ্চাত্যের দেশ আমেরিকা, ব্রিটেন, ইউরোপ অর্থ, মিডিয়া, প্রযুক্তি, তথ্যের অপব্যবহার করে বিভিন্ন দেশ দখল করেছে। ভিয়েতনাম, ইরাক, লিবিয়া, ইন্ডিয়াসহ বর্তমানে পরোক্ষভাবে ইসরাইলে দখলদারিত্ব করছে। তাদের এ দখলদারিত্বের লক্ষ্য দেশগুলোর ভুগর্ভে থাকা প্রাকৃতিক সম্পদ লুটে নেওয়া। আজ যেখানে আমেরিকা গড়ে উঠেছে, সেখানে আদিবাসিদের গণহত্যা করে উচ্ছেদ করেছে। তাদের হাতে অনেক আগে থেকেই মানুষের রক্ত লেগে আছে। ইসরাইল কর্তৃক ফিলিস্তিনের আগ্রাসনকে আজ প্রত্যক্ষভাবে তারা সর্মথন দিয়ে যাচ্ছে। আন্তজার্তিক আইনে যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরাইলেকে বিচারের আওতায় আনার জোর দাবি জানাচ্ছি।

আন্দোলনে রাখাল রাঙা বলেন, ফিলিস্তিন-ইসরাইয়েল যে দ্বি-রাষ্ট্র চুক্তি হয়েছিল, সেখান থেকে তারা সরে দাঁড়িয়ে জাতিগত উচ্ছেদের জায়গায় নিয়ে গেছে। ফিলিস্তিনে আল-জাজিরার অফিস বন্ধ করেছে। যুক্তরাষ্ট্রের মদদে ইসরায়েল ফিলিস্তিনি জাতিগত উচ্ছেদের আয়োজন করছে, আমরা তার তীব্র প্রতিবাদ জানায়।

গণতান্ত্রিক ছাত্রশক্তির আহ্বায়ক আখতার গণহত্যার বন্ধের জানিয়ে বলেন, ফিলিস্তিনে গণহত্যা বন্ধ করতে হবে এবং আন্তর্জাতিক আইনে ইসরায়েলকে বিচার করতে হবে। ইসরাইলের সঙ্গে বাংলাদেশের সব সর্ম্পক বন্ধের নীতিতে অটল থাকতে হবে।

এসময় জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থী আরিফ সোহেল, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থী মাহিরসহ আরও অনেকে বক্তব্য প্রদান করেন।

বিজনেস আওয়ার/১০ মে/ রহমান

ফেসবুকের মাধ্যমে আপনার মতামত জানান: